‘স্টারডাস্ট’ বইটির লেখক নিল গেইম্যান; এটি একটি অনুবাদ উপন্যাস। প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ১৯৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st published, 2026।
১৮০০ সালের ইংল্যান্ডের ভিড়ে গড়ে উঠা এক গল্পের চাদর ‘স্টারডাস্ট’। রূপকথার মতো হলেও চমৎকার গদ্যময় বর্ণনা আর এক জাদুকরি যাত্রার ছোঁয়া ছিল শেষ অবধি। তবে রূপকথা দেখে শুধুই ‘শিশুতোষ’ ভেবে ভুল করবেন না। এটা শিশূদের জন্য অনুপোযোগী। অনেকটা বড়দের রূপকথা বলা যায়। যেখানে সত্যের জয়, মিথ্যার হার বা সবসময় হ্যাপি এন্ডিং এমন টাইপ গল্পের স্রোত নেই। নিল গেইম্যানের লেখা যেন শুধু পড়তে বাধ্য করে না বরং ভেতরে টেনে নিয়ে যায়। চরিত্রের সাথে সাথে। একটা জাদুময় শহরে যার অস্তিত্ব মনে হয় সত্তি ই আছে। এখন আর নেই…
ওয়াল নামক শহরকে ঘিরে যে গল্পের শুরু, যে শহরটি লোকচক্ষুর আড়ালে একটি পাথরের আড়ালে। বিশাল বড় পাথর। যার মধ্যখানে একটা চিড় যেন শহর থেকে অপর প্রান্তে যাওয়ার পথ দেখিয়ে দেয়।
এক তরুণ যে কিনা এক পরী কন্যার প্রেমে পড়ে। তাদের সম্পর্কে জন্ম নেয় একটি শিশু। চমৎকার সেই শিশুটির নাম বড্ড কঠিন। সহজ অর্থে আমি তাকে ডাকি থর্ন হিসেবে। থর্নের হুট করে আবির্ভাব ঘটে তার বাবার ঘরে। সেখানেই বেড়ে উঠে। এখন সে তরুণ। প্রেমে মত্ত এক প্রেমিক। যে তার প্রিয়তমাকে পেতে সবচেয়ে কঠিনতম কাজটি করতে চলেছে। অপরপাশের জগতে প্রবেশ করে একটি তারা নিয়ে আসতে চলেছে। কিন্তু সবটাই কি এতো সহজ? খচিত তারা নিয়ে আসার পথটা বড্ড এডভেঞ্চারময়। কারণ তারা কোনো পাথর নয়, বরং একটি জীবন্ত মানুষ। নক্ষত্রকন্যা–যাকে বলা যায় সন্ধ্যাতারা হিসেবে। এখানেই গল্প এগোয়।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।