‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর লেখা চিরায়ত কাব্য বিষয়ক বই। দূরবীণ থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ২২৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই।
বাংলা কবিতার আবেগ ও ভাষার গতিশীলতাকে চূড়ান্ত শিখরে পৌঁছে দেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি সত্য সুন্দরকে এত চমৎকারভাবে প্রকাশ করেছেন যে, তিনি নিজেই সত্য সুন্দরের কবি হয়ে উঠেছেন। রবীন্দ্রনাথের কাছে হাত বাড়াবার আরেকটি কারণ আত্মশক্তির অন্বেষণ। তিনি প্রাণিত হয়েছেন এই দেশের শেকড় থেকে আহরিত রসসুধায়।
যেকোনো অধিকার আদায়ের আন্দোলনে, স্বাধীনতা যুদ্ধে তাঁর প্রভাব আমরা দেখেছি।
রবীন্দ্রনাথের কবিতা, গান, নাটক, গল্প, উপন্যাস বাঙালির প্রতিবাদী চেতনাকে শাণিত করেছে চিরদিন। আমাদের ভেতরে কল্যাণকর মহৎ চিন্তা জাগানিয়া কবি হিসেবে, চিন্তাবিদ হিসেবে রবীন্দ্রনাথ টিকে থাকবেন যুগ থেকে সহস্রাব্দ অবধি। তিনি এই যে মানুষের শক্তিকে দেখেছেন, বিশ্বাস করেছেন, তাতেই তিনি তাঁর পূর্বকালের, সমকালের এবং আগামীর আধুনিক মানুষ হয়ে থাকবেন। কিন্তু তিনি কখনও হতাশার পথে হেঁটে যেতে বিশ্বাসী ছিলেন না বরং ছিলেন তীব্র আত্মবিশ্বাসী এবং মানুষের শক্তির ওপর প্রবল আস্থাশীল ও যত্নবান। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উল্লেখ করেছেন যে সৃষ্টিশীলতার পথ কখনই সহজ নয়। এই পথে অনেক বাধা, দুঃখ এবং কষ্ট আসতে পারে, কিন্তু তবুও আমাদের থেমে গেলে চলবে না। সৃষ্টির পথে নতুন সম্ভাবনা খোঁজার প্রয়োজনীয়তা সেটাও তাঁর কবিতায় উঠে এসেছে। নিজের সৃষ্টিশীলতাকে মুক্ত করতে এবং নতুন কিছু সৃষ্টি করতে কবি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন।
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।