পৃথিবীর সকল শিশু ডিম ফুটে বের হচ্ছে। তাদের বাষ্পের স্পর্ধা সুন্দর। বারান্দায় থাকা কাঠবিড়ালির পড়শির ঝগড়া । একঘর শ্রাবণ মাসের ভিতর চায়ের জল ফোটে । শঙ্খধ্বনিরা গার্জিয়ান। কলের পানি সুড়সুড়ি দেয়। রাজনীতি জানে এমন পড়ার টেবিলে মোমবাতি খুব ভয়ে থাকে। দুঃখ বিনে সুখ লাভ সিলেটের বিলগুলো জানে? হাওরের পানি ঘুষ খায় না সেটা জানতো কেবল আষাঢ়ের প্রথম বৃষ্টি। তার বান্ধবী নেই, আছে পরস্ত্রীর আঁচল- ডাস্টারের হাঁটাচলা । যে কবি’র ল্যাপটপ আছে- তার নদী কোথায় থাকে? তার জীবনে সব সন্ধ্যায় বাজারের রঙের মেলা শূন্য । বাজারের সরস্বতী । যে নারী চুল ছেড়ে দিয়ে রাঁধে সেই জানে পুরনো দিনের গানে ওষুধের দ্বিতীয় ভালোবাসা। স্কুল বন্ধ। তুঁত গাছের ফল না খেয়ে বন্ধ আমাদের সবার হৃদয় । হাওড়ের কাঠুরিয়া কবি কাঠ কাটে , তার বুকে ছাদ তাতে ময়ূরের অপেক্ষা চলে কিন্তু উড়ে এসে জুড়ে যায় কাক। আমি হাসানের নাম দিলাম হাওরের কাঠুরিয়া কবি। ১০.০৩.১৪২৮ অনির্বাণ সূর্যকান্ত