‘সহীহ বুখারী ফিকহুল হাদিস ও উলূমুল হাদিস’ বইটির লেখক মুফতী সাঈদ আহমদ পালনপুরী; এটি একটি হাদিস বিষয়ক আলোচনা বিষয়ক বই। প্রকাশনার দায়িত্বে মাকতাবাতুস সুন্নাহ ঢাকা। বইটিতে আছে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2022।
ইসলামের মূল উৎস এবং পূর্ণাঙ্গ সংবিধান হল আল কুরআনুল কারীম; কিন্ত তা এমন তাত্ত্বিক কিতাব, যা পারঙ্গম করতে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের প্রয়োজন হয়। হলেন এর ব্যাখ্যাকার এবং তাঁর কর্মবহুল জীবন হল এই কুরআনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ। তাই কুরআনের পরে ইসলামের দ্বিতীয় উৎস হল-রাসুল স. মূলত কিতাবুল্লাহ ও হাদীসে রাসুল স. দ্বীনে ইসলামের মূলভিত্তি। কুরআনের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের প্রয়োজন না থাকলে আল্লাহ তার প্রিয় নবীর উপর এই দায়িত্ব অর্পন করতেন না।
প্রখ্যাত মুহাদ্দিস ইমাম আওযায়ী রহ.(মৃ.১৫৭ হি:) তিনি বলেন-হাদীস কুরআনের প্রতি ততটা মুখাপেক্ষী নয়,কুরআন যে পরিমাণের মুখাপেক্ষী হাদীসের প্রতি।(তালিকুস সাবীহ) অর্থাৎ কুরআনের মর্ম অনুধাবনের জন্যে হাদীসের সাহায্য নেয়া ছাড়া কোন গন্তব্যই নেই। যেমন গৃহ নির্মাণের জন্যে শুধু ঘরের ম্যাপ সামনে থাকলেই হয় না;বরং পদে পদে ইঞ্জিনিয়ারের নির্দেশনার প্রয়োজন হয়।
তাই চোখ বন্ধ করেই বলি- পবিত্র কুরআনের পরেই হাদীসের অবস্থান। ইহার অস্বীকারকারী, অমান্যকারী নিঃসন্দেহে কাফের। ইসলামী শরীয়তে হাদীসের অবস্থান কতটুকু; তা সূর্যের মত স্পষ্ট। কিন্তু তা বুঝতে হলে, পড়তে হলে, বিশ্লেষণ করতে হলে তারই আবশ্যকীয় কিছু নিয়ম-কানুন রয়েছে যেগুলোকে বিজ্ঞজনের মতে ইলমে হাদীস বলে।
দারুল উলূম দেওবন্দের শায়খুল হাদীস আল্লামা মুফতি সাঈদ আহমাদ পালনূপরী রহ.
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।