প্রিয় গ্রাহক, একাডেমিক বইয়ের অর্ডারে ৫০% অগ্রিম পেমেন্ট করতে হবে। বাকি ৫০% ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পরিশোধ করা যাবে।
বই সরবরাহ করতে না পারলে অগ্রিম টাকা সম্পূর্ণ ফেরত দেওয়া হবে।
‘শিক্ষার্থী সিলেবাস (নার্সারি)’ বইটির লেখক মাওলানা মোঃ জাহাঙ্গীর হোসাইন; এটি একটি কওমি: নার্সারী ও শিশু শ্রেনী বিষয়ক বই। প্রকাশনার দায়িত্বে আন-নূর পাবলিকেশন্স। বইটিতে আছে ১৬ পৃষ্ঠা, পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition, 2025।
(বিশেষ হেদায়েত) ১। শিক্ষার্থীদের ভালো ফলাফল ও শিক্ষার মান উন্নতির জন্য নিয়মিত পড়াশোনা ও যথারীতি ক্লাসে উপস্থিত হওয়া অপরিহার্য। এজন্য অভিভাবকদের উচিত, শিক্ষার্থীদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া এবং কোন কারণ ব্যতীত প্রতিদিন ক্লাসে উপস্থিত করানো। মনে রাখবেন, ক্লাসে অনুপস্থিতির কারণে যেমন ভাবে ভালো শিক্ষার্থী লেখাপড়ায় খারাপ হয়ে যায়, তেমনি ভাবে ক্লাসে প্রতিদিন উপস্থিতির কারণে দুর্বল শিক্ষার্থী ও লেখাপড়ায় ভালো হয়ে যায়। বাস্তবতাই তাই বলে। প্রতি সপ্তাহে বা ১৫ দিনে অথবা মাসে একবার হলেও শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া, উপস্থিতি এবং আমল-আখলাক নিয়ে প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক বা শ্রেণীশিক্ষকের সাথে অভিভাবকদের অবশ্যই যোগাযোগ রাখা কর্তব্য। নিজ সন্তানের মান-সম্মত খাবার, গোসল প্রতিদিন, পর্যাপ্ত পরিমাণে নিদ্রা ( বয়স ৫-১২ পর্যন্ত ২৪ ঘন্টায় ৮-১২ ঘন্টা নিদ্রা যেতে হবে দুই বারে) বিশ্রাম, অসুস্থতা এবং সামাজিক বিনোদনের দিকে সার্বক্ষণিক তীক্ষ্ণদৃষ্টি রাখুন, যেন এগুলোর কোনো ত্রুটি না হয় এবং এগুলো ব্যতীত অন্য কোন বায়না বা আবদার যথাসম্ভব না মানা। মোবাইল ফোন হাতে না দেওয়া ব্যক্তিগত বুঝদার না হওয়া পর্যন্ত। যদি ঘরে/বাসায় কম্পিউটার দিতে হয়, তাহলে কম্পিউটারে যেন ইন্টারনেট চালাতে না পারে এবং কারো মোবাইলে ফেসবুক/ইন্টারনেট চালাতে না পারে সেদিকে সব সময় নজরদারি করুন। বর্তমান সময়ের সন্তান নষ্ট এবং অশিক্ষিত হওয়ার এটাও একটি বড় কারণ।
শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।