সূচিপত্র* এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি মন* সখী, ভাবনা কাহরে বল্ সখী, যাতনা কাহারে বলে* আমার প্রাণের ‘পরে চলে গেল কে* মরণ রে, তুঁহুঁ মম শ্যামসমান* মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে* নারীর প্রাণের প্রেমে মধূর কোমল* অধরের কানে যেন অধরের ভাষা* ফেলো গো বসন ফেলো, ঘুচাও অঞ্চল* প্রতি অঙ্গ কাঁদে তব প্রতি অঙ্গ তরে* কেন চেয়ে আছ গো মা মুখপানে* আমায় বোলো না গাহিতে বোলো না* ভালো যদি বাস, সখী, কী দিব গো আর* পুরানো সেই দিনের কথা ভুলবি কি রে হায় * এ শুধু অলস মায়া, এ শুধু মেঘের খেলা* তবু মনে রেখো, যদি দূরে যাই চলি* বেলা যে পড়ে এল, জল্কে চল্* এমন দিনে তারে বলা যায়* বঁধু, তোমায় করব রাজা তরুতলে* কবিবর, কবে কোন্ বিস্মৃত বরষে* গগনে গরজে মেঘ, ঘন বরষা* স্বপ্ন দেখেছেন রাত্রে হবুচন্দ্র ভুপ * খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে* আমি পরানের সাথে খেলিব আজিকে* যদি ভরিয়া লিইবে কম্ভ, এসো ওগো, এসো মোর* আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে * সংসারে সবাই যবে সারাক্ষণ শত কর্মে রত* অন্ধকার বনচ্ছায়ে সরস্বতীতীরে* আমরা লক্ষ্ণীছাড়ার দল ভরে পদ্মপত্রে জল* শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভূঁই, আরসবই গেছে ঋণে* নহ মাতা, নহ কন্যা, নহ বধূ, সুন্দরী রূপসী* অচ্ছোদসরসীনীরে রমণী যেদিন* আজি হবে শতবর্ষ পরে* খেয়ানৌকা পারাপার করে নদীস্রোত* দাও ফিরে সে অরণ্য, লও এ নগর* পুণ্যে পাপে দুঃখে সুখে পতনে উত্থানে * শুধু বিধাতার সৃষ্টি নহ তুমি নারী* তবু কি ছিল না তব সুখ দুঃখ মত* রথযাত্রা, লোকারণ্য, মহা ধূমধাম* শৈবাল দিঘিরে বলে উচ্চ করি শির * দ্বার বন্ধ করে ভ্রমটার রুখি* উত্তম নিশ্চিন্তে চলে অধমের সাথে* গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে* নৃপতি বিম্বসারা * নদীতীরে বৃন্দাবনে সনাতন একমনে* পত্র দিল পাঠান কেসর খাঁরে* যদিও সন্ধ্যা আসিছে মন্দ মন্থরে* ওিই আসে ওই অতি ভৈরব হরষে* পঞ্চশরে দগ্ধ করে করেছে এ কী সন্ন্যাসী* এ কি তবে সবই সত্য * বন্ধু, কিসের তরে অশ্রু ঝরে, কিসের লাগি দীর্ঘশ্বাস* ওগো কাঙাল, অমারে কাঙাল করেছ* যামিনী না যেতে জাগালে না কেন* অয়ি ভুবনমনোমোহিনী* ওরে মাতাল , দুয়ার ভেঙে দিয়ে* পঞ্চাশোর্ধ্বে বনে যাবে* আজ বসন্তে বিশ্বখাথায় * মনেরে আজ কহ যে* আমি যদি জন্ম নিতেম* আমি যে বেশ সুখে আছি* আমরা দুজন একটি গাঁয়ে থাকি* হাল ছেড়ে আজ বসে আছি আমি* দুর্যোধন* কর্ণ। পুণ্য জাহৃবীর তীরে সন্ধ্যাসবিতার* যেদিন হিমাদ্রিশৃঙ্গে নামি আসে আসন্ন আষাঢ়* কত কাল রবে বল’ ভারত রে* নীল নবঘরে আষাঢ়গগনে* কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি* মনে করো, যেন বিদেশ ঘুরে* পাগল হইয়া বনে বনে ফিরি* দিরেন শেষে ঘুমের দেশে ঘোমটা-পরা ওই ছায়া* আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি* যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে* আজি বাংলাদেশের হৃদয় হতে কখন আপনি* সার্থক জনম আমার জন্মেছি এই দেশে* তোরা কেউ পারবি নে গো* ও যে মানে না মানা* আমি বহু বাসনায় প্রাণপণে চাই* পারবি নাকি যোগ দিতে এই ছন্দে রে* জগতে আনন্দযজ্ঞে আমার নিমন্ত্রণ * আজি এই গন্ধবিধূর সমীরণে* আরো আঘাত সইবে আমার, সইবে আমারো* হে মোর চিত্ত, পূণ্য তীর্থে* হে মোর দুভার্গা দেশ, যাদের করেছ অপমান* আমার সকল নিয়ে বসে আছি সর্বানাশের আশায়* আমি রূপে তোমায় ভোলাব না, ভালোবাসায় ভোলাব* ঘরেতে ভ্রমর এল গুনগুনিয়ে * সুন্দর বটে তব অঙ্গদখানি তারায় তারায় খচিত* জানি গো দিন যাবে* যদি প্রেম দিলে না প্রাণে * নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুল বনে* তোমায় আমায় শিলন হবে বলে আলোয় আকাশ ভরা* ওরে নবীন, ওরে আমার কাঁচা* এ কখা জানিতে তুমি , ভারত ঈশ্বর-শা-জাহান* আমার নিকড়িয়া রসের ররসিক কানন ঘুরেঘুরে* আমি পথ ভোলা এক পথিক এসছি* ডাক্তারে যা বলে বলুক নাকো * দিনগুলি মোর সোনার খাঁচায় রই ল না * তালগাছ এক পায়ে দাঁড়িয়ে* মাকে আমার পড়ে না মনে* এখানে নামল সন্ধ্যা। সূর্যদেব, কোন্ দেশে, কোন্ সমুদ্রপারে..* গাড়িতে ওঠবার সময় একটুখানি মুখ ফিরিয়ে সে আমাকে....* আঁধার রাতে একলা পাগল যায় কেঁদে* যৌবনবেদনারসে উচ্ছল আমার দিনগুলি* দুয়ার বাহিরে যেমনি চাহি রে মনে হল যেন চিনি* আজিকার দিন না ফরাতে* বনে যদি ফুটল কুসুম নেই কেন সেই পাখি* আঁধারের লীলা আকাশে আলোকলেখায়-লেখায়* এ পারে মুখর হল কেকা ওই, ও পারে নীরব কেন কুহু হায়