‘পূর্ণাঙ্গ তাফসীরে উছমানী (৪ খন্ডে)’ মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মাওলানা শিব্বীর আহমদ-এর লেখা তাফসীরুল কুরআন বিষয়ক বই। থানভী লাইব্রেরী থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ২৯৭৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2022।
# তাফসীরে উছমানীর উপর লেখা হযরত মাওলানা আব্দুল মালেক সাহেব দা. বা.-এর ভূমিকার চুম্বকাংশ :
তাফসীরে উছমানীকে আমরা তালেবে ইলমীর যমানায় ‘ফাওয়ায়েদে উছমানী’ বলতাম।
আমরা আসাতেযায়ে কেরামকে দেখেছি যে, তাঁরা এই তাফসীর গুরুত্বের সাথে মুতালা করতেন।
বান্দা ছোটকাল থেকে এই তাফসীরের প্রতি অনুরক্ত ছিলাম। আর সেই অনুরাগ ক্রমশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
# মাওলানা ইউসুফ বিন্নুরী রহ. তার কিতাব ইয়াতীমাতুল বয়ানে লিখেছেন, যার মর্ম-
কেউ যদি উর্দূ ভাষায় স্বল্প সময়ে কুরআন মাজীদ বুঝতে চায়, তাহলে তার উচিত আমাদের মাশায়েখদের শায়েখ আরেফ বিল্লাহ হযরত মাওলানা মাহমুদ হাসান দেওবন্দী রহ. এবং আমাদের শায়খ মুহাক্কিকুল আসর হযরত মাওলানা শাব্বীর আহমদ উছমানী (আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘ হায়াত দান করুন) কর্তৃক রচিত তাফসীরী ফাওয়ায়েদ মুতালা করা।
কুরআন মাজীদের অর্থ ও মর্ম উদঘাটনে এই তাফসীর অত্যন্ত উপকারী।
এর ভাষার মানও অত্যন্ত উঁচু।
সুসংক্ষিপ্ত শব্দ-বাক্যে বিপুল পরিমাণ মর্ম এতে সন্নিবেশিত করে দেওয়া হয়েছে।
কখনো দেখা যায়, বিশাল বিশাল গ্রন্থ পড়ে এবং বিপুল পরিমাণ ঘাটাঘাটি করেও যে বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে না, এই তাফসীরে ছোট্ট একটি বাক্যে কিংবা সামান্য একটি ইঙ্গিতে তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
তালেবে ইলমগণ তো বটেই, বড় ও বিশেষ লোকদেরও এই তাফসীর না খুলে থাকার উপায় নেই।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।