‘সোমেশ্বরী রাত’ বইটির লেখক নাহিদ আহসান (কথাসাহিত্যিক); এটি একটি বয়স যখন ১২-১৭ বিষয়ক বই। বইটি প্রকাশ করেছে শিখা প্রকাশনী। এর কলেবর ৯৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
রহস্য ঘেরা কিশোর উপন্যাস ‘সোমেশ্বরী রাত’,যে গল্পের বাঁকে বাঁকে রয়েছে বিপদ,রহস্য,থ্রিলার। বই থেকে: রাকিব দাঁড়িয়ে আছে শান্ত সোমেশ্বরী নদীর তীরে—যার পানি বয়ে আসে দূর ভারতের মেঘালয় রাজ্যের গারো পাহাড় থেকে। প্রায় বছর দশেক আগে,এখানেই—এমন বিষণ্ণ এক রাতে গল্পের শুরু। সে রাতে ‘সোমেশ্বরী’ বয়ে নিয়ে এসেছিলো রহস্য,বিপদ,দুর্ঘটনা। যে ঘটনা জন্ম দিয়েছে আরও কতো গল্পের-ভাবনার! গল্পে জড়িয়েছে কতো নতুন মানুষ! দিনশেষে তারাই হয়ে উঠেছে গল্পের প্রধান চরিত্র। ঝড়ের বেগে ঘটেছে সব। শ্বাস নেবার সময়টুকুও যেন পায়নি কেউ। শুধু দেখেছে—ঠাঁয় দাঁড়িয়ে। জীবন কখনোই মসৃণ পথ নয়। জীবন বয়ে চলে আঁকাবাঁকা—সোমেশ্বরী নদীর মতো। ভীষণ গর্জনে ভেঙে ফেলে পাড়। তলিয়ে নিয়ে যায় বাসাবাড়ি-ফসলি জমি। ঘুড়তে গিয়ে—সোমেশ্বরীর তীরেই এক অদ্ভুত ও ভয়ানক ঘটনার সাক্ষী হয় রাকিব। সেখান থেকে পাওয়া একটা সুন্দর গলার চেইন রাকিবকে একের পর এক রহস্য ও বিপদের বেড়াজালে বন্দী করবে,কে জানতো? ঢাকার মিরপুরে বসবাস করা রাকিবকে অসংখ্যবার ফিরতে হয়েছে নেত্রকোণায়,সোমেশ্বরীর তীরে,রহস্যের কাছে। উলটপালট হয়েছে তার গোছানো দিন,জীবন। শেষমেশ সুরাহা হয়েছে কোনো? গল্পটা কি শুধুই রাকিবের? গল্পটা আসলে অন্য কারোর। এক অভাগা মেয়ের অসহায়ত্বের গল্প,এক হতভাগা ছেলের পরিবার,ভালোবাসার মানুষ—সব হারানোর গল্প। এক নিষ্ঠুর রহস্যময় জীবনের গল্প এই ‘সোমেশ্বরী রাত’।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত শিশু-কিশোর পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।