“অগ্রহায়ণ মাসের বৃষ্টি আর রুদ্রর চোখের জল একই ধারায় বইতে লাগল! রুদ্র স্থির, রুদ্র নির্বাক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। মনের অজান্তে দুচোখে গড়িয়ে পড়া জল ইসলামপুর বাজার স্টেশনকে ধুয়ে দিল! মহিমান্বিত হলো অপেক্ষার রাত! শেষ ট্রেন থামেনি।” হাজারো ব্যস্ততায় মানুষের কর্মচঞ্চল জীবন কখনোবা অনুভূতির দোলাচলে থমকে দাঁড়ায়। নন্দিনী, রুদ্র আর মুনার এই গল্প এমনই মানব অনুভূতির কালকে একটি নান্দনিক প্লাটফর্মে দাঁড় করিয়েছে। নন্দিনী এসেছে বর্ষার মেঘেদের মতো। রুদ্র নন্দিনীকে সাজিয়েছে রৌদ্রের রঙে। মুনা তার রংধনু। আর মতি মিয়া যেন স্রষ্টার ইচ্ছা পূরণের অচিলা। তার সরলমন, দূরদৃষ্টি, রুদ্রের প্রতি অপরিসীম মমতা যেন পৃথিবীকে ঢেকে দেয়া নীল আকাশ।