‘শানে রহমাতাল্লিল আলামীন’ সালেহ আহমেদ শিশির-এর লেখা সীরাতে রাসূল (সা.) বিষয়ক বই। বইটি প্রকাশ করেছে আফসার ব্রাদার্স। সব মিলিয়ে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st published 2022।
মানবেতিহাসের পাতায় পাতায় যুগে যুগে অসংখ্য মহামানবের আবির্ভূত হওয়া এবং তাঁদের পবিত্র করস্পর্শে পৃথিবী আলোকিত হওয়ার কাহিনি লিপিবদ্ধ রয়েছে। সে সকল মহামানবের মধ্যমণি হিসেবে সর্বকালীন মানুষের কাছে বরিত হয়েছেন যিনি,তিনি আখেরী নবি হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা আহমদ মুজতবা (স)। পবিত্র কোরানে মহান আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন,‘(হে রাসুল,) আমরা তোমাকে জগতসমূহের জন্য রহমতস্বরূপ প্রেরণ করেছি।’ মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স) তাই স্বয়ং মহাবিশে^র রব অর্থাৎ রাব্বুল আলামীন কর্তৃক ঘোষিত ‘রহমাতাল্লিল আলামীন’। সেই রহমাতাল্লিল আলামীন সম্পর্কে বিশ্বে নানামুখী গ্রন্থ-কেতাব রচিত হয়েছে,হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হবে। তারই ধারাবাহিকতায় প্রকাশিত হচ্ছে ‘শানে রহমাতাল্লিল আলামীন’ নামক গ্রন্থটি। আপাত চাকচিক্যের মোহে অন্ধ মানুষজনকে প্রকৃত ঐশ্বরিক চেতনায় জারিত করতে নবি-রাসুলগণ যুগে যুগে অসংখ্য মুজিযা (অত্যাশ্চর্য অলৌকিকতা) দেখিয়েছেন। মহানবি হযরত মুহাম্মদ (স)-এর সবচেয়ে বড় মুজিযা পবিত্র কোরান। সেই পবিত্র কোরান হচ্ছে মহানবি (স)-এর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের আকর গ্রন্থ। অসংখ্য তাফসীরকার পবিত্র কোরানের নানামুখী ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেছেন। তাঁদের সেসব ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণে অবধারিতভাবেই মহানবি (স)-এর চরিত্রের নানামুখী বৈচিত্র্য ফুটে উঠেছে। এসব বৈচিত্র্যের মাঝেও ব্যাপক পঠন-পাঠনের অভাবে একমুখিনতা আমাদেরকে সংকীর্ণ চেতনাবোধে প্রভাবিত করে।
বিশেষ করে ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।