সাহিত্য সমালোচনা বিষয়ক প্রবন্ধ হিসেবে ‘সাহিত্যের নানাপ্রসঙ্গ ও নান্দনিকতা’ লিখেছেন পারভীন আক্তার জেমী। প্রকাশক অনার্য পাবলিকেশন্স। সব মিলিয়ে ২৩২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2020।
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের (১৮৩৮-১৮৯৪) আবির্ভাবের পূর্ববর্তী সময়টা ছিল
১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রাšত্মরে নবাব সিরাজদৌলস্নার পতনের
মাধ্যমে আড়্গরিক অর্থে না হলেও বাংলা তথা ভারতবর্ষের সূর্য অ¯ত্মমিত
হওয়ার পথ প্রশ¯ত্ম হয়েছিল। ব্রিটিশ সরকার ভারতে শাসন কায়েম করার পর
ভারতবর্ষের চিরায়ত শাসন ব্যবস্থার মূল আন্দোলিত হয়। তৎকালীন সময় এ
ধাক্কাটা সহজে সামলে নিতে পারেনি। সমাজ ছিল অšত্মর্দ্বন্দ্বে দ্যোদুল্যমান।
শিড়্গতি জনমানসও ছিল দ্বিধাগ্র¯ত্ম। এমনকি পাশ্চাত্য শিড়্গায় শিড়্গতি
যুক্তিবিদ এবং বুদ্ধিজীবী রামমোহন রায়ও (১৭৭৪-১৮৩৩) এর ব্যতিক্রম
রামমোহনের কথা বাদ দিলে বঙ্কিমচন্দ্রকে ঊনবিংশ শতাব্দীর
শ্রেষ্ঠ চিšত্মাবিদ মনীষী বলা যায়। তাঁর চিšত্মা প্রসারের বাহন সাহিত্য হলেও
তিনি তাঁর চিšত্মন শুধুমাত্র সাহিত্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেননি।
করেছেন জাতি গঠনে, ঊনবিংশ শতাব্দীর সমাজ গঠনে, ইতিহাস রচনার
অনুপ্রেরণায়, নৈতিকতার মানোন্নয়নে, শিড়্গার প্রসারে, সর্বোপরি স্বদেশ
বঙ্কিম তাঁর সচেতন দৃষ্টিভঙ্গির দ্বারা সে সময়ের যুগ সংকটের
স্বরূপকে উপলব্ধি করেছেন এবং কীভাবে সে সংকট থেকে মানুষকে,
সমাজকে রড়্গা করা যায় তার উপায় আনুসন্ধান করেছেন। তাঁর স্বচ্ছ চিšত্মায়
ধরা পরেছিল যুগ সংকট উত্তরণের উপায়।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।