‘সাধারণ লোকের কাহিনী’ বইটির লেখক রশীদ করীম; এটি একটি সমকালীন গল্প। বইটি প্রকাশ করেছে ঐতিহ্য। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৫৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 3rd Edition, 2014 নিয়ে।
প্রথম দক্ষিণের এই বারান্দাটার কথা বলতে হয়। বারান্দাটা শুরু হয়েছে পূর্ব দিকের এক চিলতে অংশ থেকে, তারপর পুরো দক্ষিণ দিকটা নিজের বাহু দিয়ে ঘিরে উত্তরদিকের রান্নাঘরে শেষ হয়েছে অর্ধ-বৃত্তাকারে। জ্যামিতিক অর্থে বারান্দাটাকে অর্ধ-বৃত্তাকার বলা যাবে না-বলতে হলে বৃত্তের আদলটা বদলে ফেলতে হয় আর সেটা বোধ হয় সম্ভব নয়। তবু, সাহিত্যিক ভাষায় বারান্দাটির বর্ণনা দিতে হলে অন্তত এই মুহূর্তে আর কোনোভাবে আমি তা করতে পারছি না।
দক্ষিণদিকের এই বারান্দাটার আর একটা সুবিধা এই যে, সামনে আর কোনো ঘরবাড়ি নেই, দক্ষিণদিকের বিখ্যাত হাওয়াটা পুরোই পাওয়া যায়। অন্য কোনো লেখক হলে বলে দিতে পারতেন, সামনে ঠিক কতোটা জমি খালি পড়ে আছে; কিন্তু শুধু চোখে দেখে জমির মাপজোক আমি কিছুই বুঝতে পারি না। তবে অনুমান করি, ঐ খালি জমিতে দুটি প্রকাণ্ড সাইজের ম্যানসন সহজেই তোলা যায় এবং একদিন নিশ্চয়ই হবে। সেদিন এই বারান্দার আকর্ষণ অনেক কমে যাবে।
আপাতত মস্ত সুবিধা এই একেবারে সামনে ঘরবাড়ি নেই। আবার শুরু হয়েছে মাঝখানে অনেকটা জায়গা ফাঁকা রেখে, সেগুলো আবার পরপর চারটি একতলা ঘর, দেয়াল আর মেঝে ইট-চুন-সুরকি দিয়ে তৈরি, ছাদ টিনের। ভাড়া বেশ কমই বলতে হবে। যদিও কামরা একটিই কিন্তু লাগোয়া বাথরুম,
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।