‘রসিক হুমায়ূন’ — তাপস রায়-এর কলমে ব্যঙ্গ ও রম্যরচনা। ঐতিহ্য থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৯৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2013 নিয়ে।
হুমায়ূন আহমেদ সুরসিক ছিলেন গল্পের মায়াযাদুতে মুহূর্তেই সকলের দৃষ্টি আকর্ষণের অসম্ভব ক্ষমতা নিয়ে জন্মেছিলেন তিনি। সাহিত্য কিংবা আড্ডায় তাঁর কৌতুকবোধ ছিল তীব্র ফলে তিনি যখন কৌতুক করে কিছু বলতেন তখন শ্রোতারা পক্ষে হাস্যসম্বরণ কঠিন হতো। বিস্ময়কর হলো, সেই হাস্যরসে ভাঁড়ামোর ছাপ খুঁজে পাওয়া যেতন না। বরং অসামান্য পরিমিতিবোধের কারণে হাস্যরসেও লুকিয়ে থাকত গভীর এক অনুভূতির স্পর্শ। হুমায়ূন আহমেদের জাদুকরী কথাকথোনে মুগ্ধ হয়ে কথাসাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় আগ্রহভরে তাঁর কথাগুলো সংরক্ষণ করে রাখতে বলেছিলেন। টেপরেকর্ডার দিয়ে সে চেষ্টাও হয়েছিল। কিন্তু স্বাভাবিক কারণেই তিনি বিষয়টি পছন্দ করেননি। বইটি যখন লিখতে শুরু করলাম হঠাৎ মনে হলো, স্যার কি এই বইটি পছন্দ করতেন! এখন আর এ প্রশ্নের উত্তর জানা সম্ভব নয়।
সমকালীন বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক তিনি। ফলে তাঁকে নিয়ে ভক্ত-পাঠকের আগ্রহ গগনচুম্বী। কে না জানে কল্পকাহিনী। বেইটিতে সংকলিত প্রতিটি গল্প শোনা, পড়া গল্প। তাঁকে নিয়ে শোনা গল্প বা ঘটনা সযত্নে, সচেতনভাবেই এড়িয়ে গিয়েছি। ফলে বইটি কোন কল্পকাহিনী স্থান পায়নি এটা বলা যায়।বইয়ের শেষে গল্প বা ঘটনাগুলোর উৎসের উল্লেখ রয়েছে। অনুসন্ধিৎসু পাঠক চাইলে সেখান থেকে গল্পের আগে ওপরে ঘটনা পরম্পরা জেনে নিতে পারবেন।হুমায়ূন আহমেদ ছোট ছোট বাক্য লিখতেন। অতুলনীয় তাঁর সেন্স অব হিউমার।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।