নেপোলিয়ন হিল রচিত ‘রোড টু সাকসেস’ — অনুবাদ: আত্ম-উন্নয়ন ও মেডিটেশন বিষয়ক বই। অনুবাদ করেছেন তানজিম আহমাদ। বইটি প্রকাশ করেছে দি রয়েল পাবলিশার্স। এর কলেবর ১৭৬ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
জীবন ছিল খুবই সংকীর্ণ যখন কোন পশ্চিমা শহরের সাথে তুলনা করা হয়। যেখানে জীবনের প্রত্যাশা খুব ছোট ছিল উচ্চাকাক্সক্ষার দামে। অপর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবে বহু ভার্জিলিয়াবাসি রোগে ভুগতো। দশ বছর বয়সে যখন বড় কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি অর্জনের জন্য সামান্য প্রত্যাশা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ঠিক তখন মাত্র ছাব্বিশ বছর বয়সে মারা যায় তার মা। পরের বছর বাবা বিয়ে করলেন, আর সেটাই ছিল কিশোর হিলের জীবনের টানিং পয়েন্ট। নেপোলিয়ানের সৎমা মার্থা র্যামেই ব্রানার ছিলেন একজন শিক্ষিত মহিলা, উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিধবা স্ত্রী এবং ডাক্তারের মেয়ে। নতুন মা হিলের মধ্যে নতুন সম্ভাবনা দেখতে পেল, যেটা অন্য কেউ কখনও খেয়াল করেনি।
তিনি এক টাইপ রাইটারের হয়ে বন্দুকের ব্যবসা করতে হিলকে রাজি করান এবং কিভাবে বন্দুক চালাতে হয় তার প্রশিক্ষণও দিলেন। পনেরো বছর বয়সে টাইপ রাইটার তাকে দিয়ে খবর টাইপিং করাতো আর এটা তার জন্য একটা মূল্যবান সক্ষমতা হিসেবে ধরা দিল।
পুরো রাজ্যের প্রধান কয়েকটা শহর ছাড়া বাকি সবখানের স্কুলগুলোর অবস্থা ছিল জরাজীর্ণ। পাহাড়ি অঞ্চলের প্রাথমিক স্কুলগুলো বছরে মাত্র চারমাস খোলা থাকতো আর সেখানে উপস্থিতি নিয়ে কোনোরূপ জবাবদিহিও করতে হতো না। উচ্চ বিদ্যালয় ও ছিল খুবই কম। পুরো রাজ্যে মাত্র একশটার মতো ছিল উচ্চ বিদ্যালয় যেগুলোর বেশিরভাগেই আবার দুই-তিন বছরের শিক্ষাব্যবস্থা প্রচলিত ছিল।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত নিজেকে গড়ে তুলতে আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।