লেখক আবদুল হালীম আবু শুককাহ-এর ‘রসুলের স. যুগে নারী স্বাধীনতা (১ম খণ্ড)’ পাঠকের সামনে এসেছে নারী সম্পর্কীয় বিষয়ক বই হিসেবে। প্রকাশনার দায়িত্বে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইসলামিক থট (বি.আই.আই.টি)। সব মিলিয়ে ৩৫২ পৃষ্ঠা, পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 2nd Edition, 2011।
নারী ও পুরুষ নিয়ে মানুষের সমাজ গঠিত। সভ্যতার বিবর্তনের বিভিন্ন পর্যায়ে নারীকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে মুল্যায়ন করা হয়েছে। নারীর ভূমিকাও ছিল বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্নরূপ। বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থে নারীকে দেখা হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টি দিয়ে। সাম্প্রতিক কালে নারী অধিকার ও নারীর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা, সমালোচনা হচ্ছে ব্যাপকভাবে। বিশ্ব সংস্থা ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে। পাশ্চাত্য সভ্যতা ও সংস্কৃতির দৃষ্টিকোণ থেকেই নারী আন্দোলনের বিষয়টিকে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। এর ফলশ্রুতিতে পাশ্চাত্য সভ্যতার অন্যান্য দিকের মতোই এক্ষেত্রেও অগ্রগতির ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিকগুলো হচ্ছে পরিস্ফুট। এমতাবস্থায় ‘রসূলের স. যুগে নারী স্বাধীনতা’ বইটি থেকে সংশ্লিষ্ট পাঠক চলমান নারী আন্দোলনের বিষয়ে দিক-নির্দেশনা পাবে। এই বইটি প্রখ্যাত লেখক আবদুল হালীম আবু শুক্কাহর ‘তাহরীরুল মারআ ফী আসরির রিসালাহ’ গ্রন্থের অনুবাদ। এর যুগে সাধারণ মুসলিম মেয়েরা পর্দার বিধান অনুযায়ী কুরআনের নির্দেশ অনুসারে শরীরের অপরিহার্য অংশ খোলা রেখে প্রয়োজন মতো মসজিদে নামায পড়ার সাথে সাথে বিভিন্ন সামাজিক ও বাইরের অর্থনৈতিক কাজে অংশগ্রহণ করেছেন। ফিতনা প্রতিরোধকল্পে মুসলিম নারীকে গৃহাভ্যন্তরে রাখার বিধানটি প্রয়োগের ক্ষেত্রে অনেক বাড়াবাড়ি করা হয়েছে।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।