‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর : দার্শনিক অণুসঙ্গ লালন থেকে বিজয় সরকার’ বইটির লেখক আশরাফ আলী; এটি একটি সাহিত্য ও সাহিত্যিক বিষয়ক প্রবন্ধ। প্রকাশক কলি প্রকাশনী। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৬৪ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2022 নিয়ে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (১৮৬১-১৯৪১) ক্রমাগতভাবে অনেকটা একক প্রচেষ্টায় নির্মাণ করে গেছেন বাংলা ভাষার আধুনিক বুনিয়াদ। তিনি বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বদরবারে শুধু উপস্থাপন করেই ক্ষান্ত হন নি,একে বিশ্বসাহিত্যের অমূল্য সম্পদ হিসেবে উন্নীত ও সুপ্রতিষ্ঠিত করে গেছেন। কাব্য,সংগীত,উপন্যাস,ছোটগল্প,নাটক,প্রবন্ধ,গবেষণা,চিত্রকলা সর্বত্র তার সরব উপস্থিতি সুর্যের মতো দেদীপ্যমান। তাঁর চিন্তা,মনন,দর্শন,সমাজবিকাশের ভাবনা,সমগ্র বাঙালির চেতনায় ব্যপ্ত। বাঙালির চিন্তায়-মননে,আবেগ-উচ্ছ্বাসে,দুঃখ-সুখে,প্রেম-ভালবাসায়,আচার-বিহারে,উৎসবে,কর্মে-অবসরে সর্বত্র আক্ষরিক অর্থেই রবীন্দ্রনাথ আমাদের সূর্যের মতো আলোকিত করে চলেছেন। বাঙালির আত্মপরিচয়ে,ধ্যানে,জ্ঞানে,আদর্শে,দর্শনে,ভাষায়,শিল্পে,সাহিত্যে,সঙ্গীতে,চিন্তায়,মননে সর্বত্র সকল সময়ে যাঁর অধিষ্ঠান তিনি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। বাঙালির সাহিত্য-সংস্কৃতি বিকাশের ধারায় রবীন্দ্রনাথ যাঁদের উত্তরাধিকার,মরমী কবি ও সাধক বাউল শিরমণি লালন শাহ ফকির (১৭৭২-১৮৯০) তাঁদের মধ্যে অগ্রগণ্য। বাঙালির শাশ্বত বাণীর চিরকালীন আবেদন ফকির লালন শাহ ধারণ করেছেন। লালনের অতি সাধারণ সহজিয়া দর্শন বিশ্বমানবতায় উত্তীর্ণ। রবীন্দ্রনাথ লালন ফকিরকে এবং তাঁর এই দর্শনকে আত্মস্থ ও উপলব্ধি করেছিলেন। এই ঐতিহাসিক যোগসূত্র বাংলা ভাষা-সংস্কৃতির জন্য বিধাতার আশীর্বাদস্বরূপ।
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।