কুরআন শিক্ষা বিষয়ক বই হিসেবে ‘কুরআনের ভাষা প্যাকেজ’ লিখেছেন মাওলানা আবু তাহের মেসবাহ, ড. মুহাম্মদ ফজলুর রহমান ও ইমরান হেলাল। বইটি প্রকাশ করেছে দারুল কলম।
উমার রাযি বলেন, “আরবী শেখো; কারণ এটি তোমাদের দ্বীনের অংশ”।
উবাই বিন কা'ব রাযি. বলেছেন, “আরবী ভাষা শেখো, ঠিক যেভাবে তোমরা কুরআন হিফয করা শেখো”। [মুসান্নাফ ইবনে আবী শাইবাহ]
ইমাম শাফেঈ' রহ. আরবী ভাষার জ্ঞান থাকাকে ফরজে আইন মনে করতেন এবং তিনি তাঁর আরব ছাত্রদের আরবী ভাষা ভালোভাবে রপ্ত করার তাগিদ দিতেন। ছাত্রদের বলতেন, “নিশ্চয়ই আমি জ্ঞান অন্বেষণকারীদের ব্যাপারে এই ভয় পাই, তারা আরবী ভাষার নাহু (ব্যাকরণ) সঠিকভাবে জানবে না এবং এভাবে রসূলুল্লাহ ﷺ-এর সেই হাদীসের (বাস্তবতার) মধ্যে প্রবেশ করবে, 'যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার উপর মিথ্যারোপ করল, সে যেন (জাহান্নামের) আগুনের মধ্যে তার আসন খুঁজে নেয়'”।
ইমাম ইবনু তাইমিয়্যাহ রহ., তিনিও ইমাম শাফেঈ' রহ. এর মতো অনেকটা একই মত পোষণ করতেন। তার মতে যেহেতু একজন মুসলিমের জন্য কুরআন সুন্নাহ বোঝাটা আবশ্যক, সেহেতু “অত্যাবশ্যকীয় কিছু পালন করার জন্য যা প্রয়োজন তাও অত্যাবশ্যক”-এই মূলনীতি অনুযায়ী আরবী ভাষা শেখাও আবশ্যক। তিনি আরো বলতেন, “আরবী ভাষা ইসলাম ও এর অনুসারীদের প্রতীক এবং যেসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি দ্বারা জাতিসমূহ নিজেদের পৃথক করে ভাষা তাদের মধ্যে অন্যতম।” [ইকতিদা'উস সিরাতিল মুসতাকীম, ইবনু তাইমিয়্যাহ, পৃষ্ঠা ২০৩]
এ তো গেল আরবী ভাষা শেখার গুরুত্ব নিয়ে আমাদের পূর্ববর্তী আলিমদের বক্তব্য।
প্রায়শই প্রশ্ন আসে “কুরআনকে কুরআনের ভাষাতে বোঝার জন্য কী করতে হবে?
শিক্ষার্থী ও পরীক্ষার্থীদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।