কুরআন বিষয়ক আলোচনা বিষয়ক বই হিসেবে ‘কুরআন ও বিজ্ঞান বিশ্বজগৎ সৃষ্টিতত্ত্ব’ লিখেছেন ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। বইটি প্রকাশ করেছে প্রান্ত প্রকাশন। বইটিতে আছে সংস্করণ: 1st published, 2026।
প্রকৃতপক্ষে কোনোকিছু সৃষ্টির জন্য তিনি যখন ইচ্ছা করেন শুধু বলেন 'হও', অমনি তা হয়ে যায়।
সুরা ইয়াসিন, ৩৬: ৮২
অবিশ্বাসীরা কি চিন্তা করে দেখে না, এ আকাশ ও ভূমি সবকিছুই মিলিত অবস্থায় ছিল, পরে আমি এগুলোকে আলাদা করেছি।
সুরা আম্বিয়া, ২১: ৩০
আসমান ও জমিনে অনেক নিদর্শন রয়েছে, যা তারা অহরহ প্রত্যক্ষ করে, কিন্তু এসবের প্রতি তারা মনোনিবেশ করে না।
সুরা ইউসুফ, ১২: ১০৫
তিনি সৃষ্টি করেছেন সাত আসমান স্তরে স্তরে। তুমি কোনো খুঁত দেখতে পাবে না দয়াময় আল্লাহর সৃষ্টিতে। আবার ফেরাও দৃষ্টি, কোনো ত্রুটি দৃষ্টিগোচর হয় কি? তারপর তুমি বারবার দৃষ্টি ফেরাও, সে দৃষ্টি ব্যর্থ ও ক্লান্ত হয়ে ফিরে আসবে তোমার দিকে।
সুরা মূলক, ৬৭: ৩-৪
আর আমি আসমান, জমিন এবং এতদুভয়ের মধ্যস্থিত কোনোকিছুই সৃষ্টি করিনি ক্রীড়াচ্ছলে; আমি সৃষ্টি করিনি এগুলো যথাযথ উদ্দেশ্য ব্যতিরেকে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই জানে না।
সুরা দুখান, ৪৪: ৩৮-৩৯
তিনি অদৃশ্যের পরিজ্ঞাতা। আসমান ও জমিনে অণু-পরমাণু বস্তু তাঁর অগোচরে নেই, কিংবা তদপেক্ষা ক্ষুদ্রও নেই বৃহৎও নেই, কিন্তু এ সবই সুস্পষ্ট কিতাবে আছে।
সুরা সাবা, ৩৪: ৩
আর তিনিই (আল্লাহ) সৃষ্টি করেছেন রাত ও দিন, সূর্য ও চাঁদকে। এরা প্রত্যেকেই নিজস্ব গতি নিয়ে কক্ষপথে ভ্রমণ করছে।
সুরা আম্বিয়া, ২১: ৩৩
সেদিন আমি আসমানকে এমনভাবে গুটিয়ে নেব, যেমন গুটানো হয় লিখিত কাগজপত্র।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।