একটা সময় ছিল যখন মানুষ নিজের কাজ নিজেই করত— চিঠি লিখত, হিসাব করত, গল্প বলত। এরপর এলো কম্পিউটার, তখন মানুষ কম্পিউটার দিয়ে হিসাব করতে শিখল। তারপর এসেছে ইন্টারনেট, তখন মানুষ ইন্টারনেট থেকে তথ্য খুঁজে বের করতে শিখল। আর এখন হলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগ। এই যুগে যারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে কথা বলতে জানবে, তারাই এগিয়ে থাকবে। আর যারা জানবে না, তারাই পিছিয়ে পড়বে। সময়ের পরিবর্তনরে সাথে সাথে আমাদের জীবনে এখন প্রতিদিন নতুন নতুন কাজ আসছে। যার জন্য আমাদের প্রতিনিয়ত নতুন কিছু শিখতে হয়। এই সব কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের সাহায্য করতে পারে। কিন্তু সেই সাহায্য পেতে হলে আমাদের জানতে হবে কীভাবে তার সাথে কথা বলতে হবে। এই কথা বলার পদ্ধতিটাই হলো প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং। আর, এটা একটা সম্পূর্ণ নতুন দক্ষতা। যেকোনো প্রযুক্তিগত জ্ঞানই আমাদেরকে যুগের সাথে তাল মেলাতে সাহায্য করে। যেমন : আমরা শিখেছি কীভাবে সাইকেল চালাতে হয়, কীভাবে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে হয়, তেমনই এই তথ্য-প্রযুক্তির যুগে পিছিয়ে পড়তে না চাইলে, আমাদের অবশ্যই জানতে ও শিখতে হবে, কীভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাথে কথা বলতে হয়।