মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক বই হিসেবে ‘প্রকৃতির পাঠশালায়’ লিখেছেন অরিজিৎ গুহা। প্রান্ত প্রকাশন-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। বইটিতে আছে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
বিজ্ঞান নিরন্তর প্রকৃতিকে জানার এই সাধনা করে চলেছে। মানুষই আসলে প্রশ্ন করেছে। প্রশ্ন করেছে বলেই বিজ্ঞানের এই সাধনাযজ্ঞ মানুষের দ্বারাই সমাপিত হচ্ছে। বিজ্ঞানমনষ্ক হওয়ার মানে আসলে হচ্ছে প্রকৃতিকে বোঝা। সম্পূর্ণ হয়তো বোঝা সম্ভব নয়,কিন্তু যতদূর এসেছি ততদূর অব্দি এসে যাতে থেমে যেতে না হয় তাই বিজ্ঞান সাধনার এই কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে অবহিত হওয়া খুব প্রয়োজন। এই বইতে প্রকৃতি চর্চার ইতিহাসকে যতটা সম্ভব সহজ সরলভাবে তুলে ধরতে চেয়েছি। আজ থেকে কুড়ি বছর বা পঞ্চাশ বছর বাদে যদি এই বই-এর কোনো কপি থেকে থাকে,তখন এই বই-এর তথ্যগুলোকে আরো নতুন নতুন তত্ত্বের আলোকে হয়তো পরিমার্জন করে লিখতে হবে। এখানেই বইটির স্বার্থকতা যে,বইটি সবসময় চলমান থাকবে। বিজ্ঞানও আসলে তাই। পরিশেষে একটা কথা মনে করিয়ে দিতে চাই। এই বইটা বিজ্ঞান সংক্রান্ত হলেও পপুলার সায়েন্স ধাঁচের বই। যদিও বইতে ব্যবহৃত সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সমসাময়িক বিজ্ঞানের আলোকেই ধরা হয়েছে,কিন্তু তাও এই বই পড়ে কিন্তু কেউ বিজ্ঞান সম্পর্কে বিশেষজ্ঞ হতে পারবেন না। তার জন্য আপনাদের পাঠ্য বই-ই পড়তে হবে,জটিল গণিত জানতে হবে,বিশিষ্ট অধ্যাপকের লেখা বই পড়তে হবে। আপনি বড়জোর বিজ্ঞানের মূল রস গ্রহণ করতে পারবেন এই বই থেকে। বিজ্ঞানের এত বছর ধরে অগ্রগতি কী হয়েছে সেই সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন।
জানার আগ্রহ আছে এমন পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।