‘প্রজাপতি ও তিতলি’ — আহমেদ মুশফিকা নাজনীন-এর কলমে বয়স যখন ৮-১২: গল্প ও উপন্যাস। বইটি প্রকাশ করেছে পাঞ্জেরী পাবলিকেশন্স। সব মিলিয়ে ২৪ পৃষ্ঠা, পেপারব্যাক বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2026।
রং ধার করে নয়। প্রকৃতি যাকে যেই রং ও চেহারা দিয়েছে তাই নিয়ে সবার খুশি থাকা উচিত। এটা এক প্রজাপতির মায়ের ভাবনা। কিন্তু ছোট্ট প্রজাপতির তো মায়ের কথায় মন ভরে না। আয়নায় নিজেকে দেখে সে আরও সুন্দর হতে চায়। যেতে চায় মানুষের পার্লারে।
ঘটনাক্রমে সে ছোট্ট তিতলির হাতে এসে পড়ে। তিতলিদের আছে পার্লার। ঘরে অনেক সাজার জিনিস দেখে খুব খুশি হয়ে যায় প্রজাপতি। ছোট্ট তিতলি মাকে বলে প্রজাপতিটাকে নীল রং দিয়ে সাজিয়ে দিতে। কিন্তু প্রজাপতির নিজস্ব লাল রঙেই অনেক সুন্দর লাগছে বলে মা তিতলিকে জানালে অভিমান করে সে। শেষমেশ প্রজাপতিকে নীল রঙেই সাজিয়ে দেন মা। সাজানোর পর বিস্মিত হয় তিতলি! যেন রাজকন্যা প্রজাপতি। আর প্রজাপতি ভাবে সে এত সুন্দর! নিজেকে দেখে মুগ্ধতার শেষ নেই। অহংকারে বন্ধুদের সঙ্গে সেই ভাব নেয়। কিন্তু ঝুম বৃষ্টিতে যখন তার গায়ের নকল রং ধুয়েমুছে যায়। কদাকার চেহারা হয়ে যায় প্রজাপতির! মন খারাপ করে ভাবে মায়ের কথাই ঠিক। প্রকৃতির দেওয়া রং নিয়েই খুশি থাকা উচিত।
শিশু-কিশোর পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকা থেকে অর্ডার করুন।