রহস্য, গোয়েন্দা, থ্রিলার, ভৌতিক, সায়েন্স ফিকশন ও অ্যাডভেঞ্চার
দেশ
Bangladesh
প্রকাশকাল
সেপ্টেম্বর 2025
লেখক সুস্ময় সুমন, পলাশ পুরকায়স্থ ও নাজিম উদ দৌলা-এর ‘প্রিমিয়াম হরর থ্রিলার কালেকশন’ পাঠকের সামনে এসেছে রহস্য ও গোয়েন্দা বিষয়ক বই হিসেবে। বইটি প্রকাশ করেছে প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স। সব মিলিয়ে সংস্করণ: Edition 2025।
পুরনো গোরস্থানের পিছনে
ছয় বছর পর মামার বাড়ি নীলাচলে বেড়াতে এসেছে রাতুল ও তার মা অনিমা মির্জা। তারা এখানে আসার পরপরই ঘটতে শুরু করে রহস্যময় সব ঘটনা। রাতুলের বড় মামাসহ বাড়ির সবাই রাতুলকে নিষেধ করে পুরোনো কবরস্থানের পেছনে যেতে। ওখানে আছে এক পোড়োবাড়ি, যা একসময় বড় মামাদেরই ছিল। এখন ওটা ভুড়ুতে বাড়ি হিসেবে পরিচিত। প্রতি অমাবস্যার রাতে সেই বাড়ি থেকে ভেসে আসে বিজাতীয় কোনো পশুর হাড় হিম করা চিৎকার।
এদিকে পুরোনো গোরস্থানটা কেন পুরোনো, সেটাও এক রহস্য। মনা নামে এক পাগল নাকি ওই গোরস্থানের গোর খুঁড়ে লাশের মাংস খেত। এক রাতে সে পাকড়াও হয় গোরখোদকের হাতে আর গণপিটুনিতে মারা যায় সে।
এর দুদিন পরই গোরখোদকের ঘাড় মটকানো লাশ মেলে গোরস্থানের পেছনে। এর পর থেকে ওই গোরস্থানের আশপাশেও আর ভেড়ে না এলাকার মানুষজন।
সবকিছু বড্ড বিভীষিকাময় মনে হয় রাতুলের কাছে। মামাতো ভাই শাকিলকে সঙ্গে নিয়ে তদন্তে নামে সে। আর তখনই নীলাচলের বিভিন্ন বাড়ি থেকে উধাও হয়ে যেতে শুরু করে একের পর এক সাত-আট বছর বয়সী বাচ্চারা।
তদন্তে নেমে রাতুল হাড়ে হাড়ে টের পায়, গোয়েন্দা হয়ে ওঠা এতটা সহজ কাজ নয়! মাথার ওপর ফণা তোলে বিষধর গোক্ষুর সাপ।
চোখেমুখে অন্ধকার দেখে রাতুল। এ যাত্রায় জীবন নিয়ে আদৌ বেঁচে ফেরা হবে কি তার?
১৩ নম্বর ভূতের গলি
বাড়ি নম্বর ১৩, ভূতের গলি। অর্থাৎ ‘১৩ নম্বর ভূতের গলি’।
শিশু-কিশোর পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।