গল্পটা একজন পিনবল প্রেমী ফ্রিল্যান্স অনুবাদকের । একসময় হঠাৎ করেই জাপান থেকে উধাও হয়ে যায় পিনবল মেশিন। পিনবল মেশিন খোঁজার অভিযানে বের হয় সে। আবারও এর দেখা কী সে পাবে? নাকি ব্যর্থ হয়ে ঘরে ফিরতে হবে তাকে? জীবনে চলার পথে তার সঙ্গী হয় যমজ দুই বোন। এদের ব্যাপারে কিছুই জানে না সে। কারা এরা? ছাত্র আন্দোলনের সময় কেমন ছিল জাপানের ছাত্রদের অবস্থা? কি হয়েছিল তার প্রেমিকা নাওকোর? এছাড়াও গল্পকথক গল্প শুনিয়েছেন তার প্রিয় বন্ধু র্যাটের বৈচিত্র্যময় জীবনের। কেমন ছিল র্যাটের জীবন? কাঙ্ক্ষিত জিনিসটার খোঁজ কি পেয়েছিল র্যাট? এসব কিছুর উত্তর-ই লুকিয়ে আছে হারুকি মুরাকামির পিনবল ১৯৭৩ এ। যেখানে মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে একাকীত্ব, নিঃসঙ্গতা, বিষণ্নতা ও পরবাস্তবতা।