ভূত আছে কি নেই তা নিয়ে মেলা যুক্তিতর্ক চলে। কেউ কেউ বলে, ভূতের ভয় মনে মনে, ভূত যে আছে কে না জানে! আবার অতিসাহসী গোছের কেউ বলে, ভূত! ফুঁ! সব বানানো গপ্পো। আমার ছেলেরা অবশ্য ভূতের গল্পে মজা পায়, মানেও। ভূত আমি নিজেও দেখিনি বটে, তবে তেনারা যে নেই, তাই বা বলি কী করে! কত কিছুই তো আমরা দেখিনি, আমি না জানলে বা না দেখলেই তা মিথ্যে এমন ধারণা ঠিক নয়। ঘুটঘুটে অন্ধকারে বটগাছ, শেওড়াগাছ বা শ্মশানের পাশ দিয়ে যাবার সময় বুকটা খানিক ছ্যাঁৎ করে ওঠে না কি! ওই হলো ভূত। যা আমাদের মনে অকারণ ভয় ধরিয়ে দেয়। অপঘাতে কেউ মরলে নাকি ভূত হয়। আবার ভূতের বউ পেতনি! ভূত বলে কি ওদের বিয়ে করতে নেই! ব্যাঙের যদি বিয়ে হতে পারে, ভূতেরও হবে। আরও আছে বাচ্চাভূত, বাঁশঝাড়ে ভূত, সাইকেল ভূত, বিল-বাঁওড়ে ভূত। সব রকমের ভূতের দেখা পাবে আমার এই গপ্পে। বেশ, চলো তাহলে গল্পগুলো পড়ে ফেলি সামার ভ্যাকেশনে।