লেখক মোহাম্মদ রফিক-এর ‘পথিক পরান’ পাঠকের সামনে এসেছে বাংলা কবিতা হিসেবে। নাগরী থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৪১ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2020 নিয়ে।
রবীন্দ্রনাথ ও তলেস্তয়। আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী। রবীন্দ্রনাথ তো, অন্তত আমাদের, প্রতিমুহূর্তের নিশ্বাস। তাই তাদের লেখা পড়ি। বড়ো কথা পড়তে ভালোবাসি। তারাও আমাদের মতোই মানুষ, বিচ্ছিন্ন কোনও সত্তা নয়। কিন্তু আজকাল আমাদের আশেপাশে, কাউকে কাউকে অপ্রয়োজনে অকারণে, অযৌক্তিকভাবে, একটি বিশেষ আভায় মন্ত্রিত করার অপপ্রয়াস চলছে। ‘অপপ্রয়াস’ এই জন্য যে, শিল্প-সাহিত্যের জগতে, কোনওকিছু চাপিয়ে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। জোর করার তো নয়ই।
সে পাত্র বা পাত্রী চেনে না। কিন্তু লোভ বা লালসা তো তেমন নয়। তারা অত্যন্ত সুচতুর। স্ব স্ব লক্ষ্যভেদের প্রণালিটিকে ভালোই বোঝে, যথাযথ অনুমান করে নিতে সক্ষম। প্রয়োজনে প্রস্তুত রাখে, অত্যন্ত সজাগ, প্রতিটি ছলাকলা আক্রমণের যন্ত্রপাতি, তীক্ষè নখ, সাঁড়াশি। কামনার বস্তু তো তখন তার আরাধনার পাত্র নয়, নয় মিত্র, নিতান্ত শত্রুপক্ষ। বশ করো, বশ করতে না-পারলে, ধ্বংস করো। কিন্তু ভালোবাসা সৃষ্টি করতেই শুধু জানে, কদাচ ভুলক্রমেও, ধ্বংস করতে নয়। তখন আত্মপীড়নও এক ধরনের আত্মসম্ভোগে পরিণত হয়। বঁধু-মিলনের ক্ষণ ঘটতে পারে যে কোনও মুহূর্তেই, সম্পূর্ণ শূন্যতায়। শূন্যতায় সংগীত, না শূন্যতার সংগীত। এইমাত্র অনুদারের পাপড়ি মেলল একটি ফুল, আচমকা। চক্ষুর ভিতরে ও বাইরে। একমাত্র তুমিই সম্বল। পাত্র নয়, পাত্রী নয়। তোমাকে তো হারিয়ে ফেলিনি কালে-কালান্তরে, তাই তো খুঁজে পাইনি। পাইনি, পাব কী করে যা হারাইনি!
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। অনলাইনে বইপোকা থেকে পেয়ে যাবেন।