‘ফিলিস্তিন প্যাকেজ’ — আসাদ পারভেজ, ড. রাগিব সারজানী ও নরম্যান ফিঙ্কেলস্টিন-এর কলমে ফিলিস্তিনের ইতিহাস বিষয়ক বই। গার্ডিয়ান পাবলিকেশন্স থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ৭৪৪ পৃষ্ঠা।
ফিলিস্তিনের বুকে ইজরাইল
ভূমধ্যসাগরের পূর্বে ১০৪২৯ বর্গমাইলের দেশ ফিলিস্তিন। দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছে সেখানে। হত্যা, খুন, গুম সেখানকার নিত্যদিনের ঘটনা। দখলদার ইজরাইলি পাপিষ্ঠরা ফিলিস্তিনিদের স্বীয় মাতৃভূমি থেকে বিতাড়িত করার বীভৎস খেলায় মেতে উঠেছে। অথচ গল্পটা ছিল ভিন্ন!
সারা পৃথিবীতে প্রত্যাখ্যাত ইহুদিরা উদার ফিলিস্তিনিদের সরলতার সুযোগে পবিত্র ভূমিতে গেঁড়ে বসে। কৌশলে দখল করতে থাকে ফিলিস্তিনিদের ভূমি।
আরবদের অভ্যন্তরীণ দলাদলি আর আমির-ওমরাদের ঔদাসীন্য ইজরাইল নামক অবৈধ রাষ্ট্রের ভিত মজবুত করে দেয়। নিজভূমে পরবাসী হয়ে ওঠার বেদনার উপাখ্যান তৈরি হয়। সেই উপাখ্যান প্রতিবিম্বিত হয়েছে ‘ফিলিস্তিনের বুকে ইজরাইল’ গ্রন্থে।
সময়ের পদরেখায় ফিলিস্তিনের ইতিহাস
নিঃসন্দেহে ফিলিস্তিনিরা আল-কুদসের অধিক হকদার এবং আরবদের ওপর এর রক্ষণাবেক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব বেশি। কিন্তু আল-কুদস কেবল ফিলিস্তিনিদের নয়। শুধুমাত্র আরবদেরও নয়। বরং আল-কুদস প্রতিটি মুসলিমের। চাই সে পৃথিবীর যে কোনো প্রান্তের বাসিন্দাই হোক না কেন!
আল-কুদস ও ফিলিস্তিনের পুনরুদ্ধার পৃথিবীর প্রতিটি স্থানের প্রতিটি মুসলিমের দায়িত্ব। চাই সে শাসক হোক বা শাসিত, ধনী হোক বা গরীব, শিক্ষিত হোক বা নিরক্ষর।
সুতরাং হে মুসলিম উম্মাহ, সময় চলে এসেছে, বিপদ সংকেত বেজে গিয়েছে। মসজিদে আকসা তোমাদেরকে ডাকছে। তোমরা জেগে ওঠো এবং আল-কুদস ও মসজিদে আকসাকে উদ্ধার করো।
ইসলামি জ্ঞানচর্চায় আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।