‘পালামৌ’ বইটির লেখক সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়; এটি একটি ভ্রমণ ও প্রবাস বিষয়ক বই। প্রকাশক বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। এর কলেবর ৩৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 7th Printed, 2016।
‘পালামৌ’ বইটির মূল কাহিনীঃ ‘পালামৌ’ বইটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সার্থক সাহিত্যের অন্যতম ভ্রমণকাহিনী । লেখক পালামৌ যাওয়ার ঘটনা বর্ণনা থেকে শুরু করে সাধু ভাষায় বর্ণিত হয়েছে “পালামৌ” অঞ্চলের মানুষের জীবনধারা,সামাজিক রীতিনীতি,প্রাকৃতিক পরিবেশ,পাহাড়,পর্বত,নদী,বন ও গাছগাছালির গল্প। পালামৌ অঞ্চলটি ভারতের বিহার রাজ্যে অবস্থিত। বইতে লেখক মূলত “কোল ” সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনধারা সহজ ও সরল ভাষায় রসাত্বকরূপে বর্ণনা করেছেন। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখেন শহর তো দূরের কথা গ্রামও নয়। পাহাড় জংগলে পরিপূর্ণ এক অঞ্চল। লেখক এভাবে,পাহাড়ের বর্ণনা দিয়েছেন। পালামৌ পরগণায় পাহাড় অসংখ্য পাহাড়,তাহার পর পাহাড়,আবার পাহাড় ;যেন বিচলিত নদীর সংখ্যাতীত তরঙ্গ।” এই অধ্যায়েই লেখক “কোল” দের শারীরিক গঠন ও রূপের বিবরণ দিয়েছেন।করেছেন সেই বিখ্যাত উক্তিটি “বন্যেরা বনে সুন্দর,শিশুরা মাতৃক্রোড়ে,”। লেখক বাঘ শিকারের বিবরণ দিয়েছেন। “কোল ” নারীদের নৃত্যের বর্ণনা দিয়েছেন। কোল উপজাতিদের বিবাহের বর্ণনা দিয়েছেন। লেখক কোল যুবক -যুবতীদের পোষাক,তাদের অলঙ্কার,তাদের গৃহস্থালির বর্ণনা দিয়েছেন। সর্বোপরি এই বইটি পড়ে পালামৌ অঞ্চলের ভ্রমণস্বাদ অনুভব করা যাবে বলে লেখক মনে করেন।
ভ্রমণ ও প্রবাস-এ আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।