বাঁ দিকে তাকালাম আমরা-রিন্টু, দোদুল, রিমন, নূরুল আর আমি। দেখলাম, মোমবাতি হাতে ছায়াটা এগিয়ে আসছে এদিকে, পেছনে পেছনে আরও তিনটি ছায়া। ছায়াগুলো আরও একটু এগিয়ে আসতেই আমরা টের পেলাম, ওগুলো ছায়া নয়...! সঙ্গে সঙ্গে একেবারে ঠান্ডা মেরে গেলাম সবাই। এত রাতে এখানে...! গোরস্থানের কাছে চলে এলাম আমরা পাঁচজন-রিন্টু, দোদুল, রিমন, নূরুল আর আমি। বেশ দ্রুতই হাঁটছিলাম। চমকে থমকে দাঁড়ালাম আবার। গোরস্থানের ওপাশের দেয়াল ঘেঁষে দুটো আলো দৌড়াদৌড়ি করছে, ভূতের বাড়ির ওই আলো দুটোর মতো! পেছন ফিরে তাকালাম আমরা। ভূতের বাড়িতে সেই আলো দুটো আর দেখা যাচ্ছে না, পুরোই অন্ধকার! ওই আলো দুটো কি তাহলে এখানে চলে এল? এত দ্রুত? কীভাবে সম্ভব? রিন্টু মাথা এদিক-ওদিক করতে করতে বলল, ‘ভয়ংকর!’