‘অরণ্য-বহ্নি’ বইটির লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়; এটি একটি চিরায়ত উপন্যাস। প্রকাশনার দায়িত্বে মাটিগন্ধা। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৪২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition, 2016 নিয়ে।
রাজমহল থেকে সমস্ত দক্ষিণ এলাকা তখন জেলা মুরশিদাবাদের এলাকা। এবং দেওঘর সাঁওতাল পরগনা নিয়ে বিস্তীর্ণ অঞ্চল বীরভূম জেলার অন্তর্ভুক্ত। নবাবী আমলে এর সমস্তটাই ছিল বসতিবিহীন অরণ্যভূমি। ইংরেজের দেওয়ানীর পর পারমানেন্ট সেটেলমেন্টের সময় থেকে এসব অঞ্চলে বন কেটে চাষের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। পাহাড়ের মাথায় সাঁওতালদের গ্রাম থেকে সাঁওতালরা সমতলে নেমে এসে গ্রামে বসতি তৈরি করে জমি ভাঙ্গছে।
হিন্দু ব্যবসাদার গৃহস্থ এরাও চাষের ক্ষেত্র তৈরি করে অঞ্চলটার চেহারা অনেকটা পালটে দিয়েছে। ওদিকে গঙ্গার স্রোতকে পূর্বদিকে রেখে তার সঙ্গে প্রায় সমান্তরাল রেখার রেল-লাইন বসাবার কাজ চলছে পুরোদমে। মধ্যে মধ্যে নীলকুঠি বসিয়েছে সাহেবানরা, তার সঙ্গে রেশম-কুঠি। ক্রিশ্চান মিশনারীরা পার্বত্য এলাকায় মিশন গেড়ে বসেছে।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।