‘অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা’ — মেজর এম এ জলিল-এর কলমে বিবিধ বিষয়ক প্রবন্ধ। কমল কুঁড়ি প্রকাশন-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। এর কলেবর ১১১ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st published, 2025। পাঠকপ্রিয়তায় বইটি বেস্টসেলারের তালিকায় আছে।
”অরক্ষিত স্বাধীনতাই পরাধীনতা’ বইয়ের ভূমিকা: শতাব্দী থেকে শতাব্দী বাংলাদেশের এই ভূখণ্ডে বিভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষ তাদের স্বস্ব ধর্ম-কর্ম, সংস্কৃতি, আচার-অনুষ্ঠানসহ মােটামুটি শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করে এসেছে। এই সহাবস্থানমূলক বসবাসের মাধ্যমে এদেশের মানুষ গড়ে তুলেছে সমৃদ্ধশালী. তবে যুগে যুগে এই ভূখণ্ডের জনগণ বিদেশী শাসকশােষকদের হাতে শােষিত-নিপীড়িত এবং লুণ্ঠিত হয়েছে। বৃটিশ শাসক-শােষকের সুদীর্ঘ দু’শাে বছরের শােষণ এখনাে অনেকের স্মৃতিতে দুঃস্বপ্নের মতই জেগে আছে। একইভাবে হিন্দু ব্রাহ্মণ্যবাদ এবং জালেম জমিদারী প্রথার মাধ্যমেও নিষ্পেষিত হয়েছে এই ভূখণ্ডের শান্তিপ্রিয় জনগণ। সর্বশেষে, ভারত বিভক্তি এবং তারই ফলশ্রুতিতে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিত্তিতে পাকিস্তান অর্জন।
বৃটিশ রচিত ঔপনিবেশিক আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্রীয় কাঠামাে বহাল রেখে পাকিস্তানের উঠতি পুঁজিবাদীগােষ্ঠী, বিশেষ করে সামরিক এবং বেসামরিক আমলাগােষ্ঠী এ অঞ্চলের জনগণের ওপর বিমাতাসুলভ আচরণ এবং শশাষণ প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখে। যার ফলে এ অঞ্চল থেকে যায় অনগ্রসর, অবহেলিত এবং নিগৃহীত। নিগৃহীত জনগণের অভাব-অনটন; হতাশা ও বিক্ষোভ ক্রমশঃই পুঞ্জীভূত হতে থাকে এবং ধীরে ধীরে
ধূমায়িত হতে হতে ১৯৭১ সনে একটি প্রবল আগ্নেয়গিরির মতনই উদ্গীরণ ঘটে। এ উদ্গীরণই পরবর্তীতে স্বাধীনতা সংগ্রামে রূপ নেয়।
বিশেষ করে সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।