নব্বইয়ের দশকে ‘জুঁই-চন্দন’ দিয়ে যাত্রা শুরু করা সাবিনা ইয়াসমিন ওই দশকের প্রতিনিধিত্বশীল কবিদের একজন। আবেগের সততা, নিজস্ব শব্দবুনন আর স্পষ্ট বক্তব্য তাঁর কবিতার পরিচয়। ‘অপরাহ্নের পায়ে’ কাব্যগ্রন্থে সেই পরিণত কণ্ঠই শোনা যায়।
শহীদ মুক্তিযোদ্ধার কন্যা সাবিনার কবিতায় দেশপ্রেম এক গভীর অনুষঙ্গ। বাংলাদেশের মাটি, মানুষ ও প্রকৃতি তাঁকে মুগ্ধ করে; মুক্তিযুদ্ধ আর শহীদের স্মৃতি তাঁর পঙ্ক্তিতে ফিরে আসে গভীর শ্রদ্ধায়—কখনো পতাকা ওড়ানোর প্রতীকী ছবিতে, কখনো নদীর জল থেকে তুলে আনা বাবার মৃতদেহের বেদনাময় স্মৃতিতে। এভাবে কবিতাগুলো হয়ে ওঠে স্বদেশ ও সমকালের এক ধরনের দলিল। পাশাপাশি আছে ভালোবাসা ও প্রেমের কবিতাও।
৬৪ পৃষ্ঠার এই সমকালীন কবিতার বইটি দেশপ্রেম ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ কবিতাপাঠকের কাছে বিশেষ মূল্যবান।