রহস্য, গোয়েন্দা, থ্রিলার, ভৌতিক, সায়েন্স ফিকশন ও অ্যাডভেঞ্চার
দেশ
Bangladesh
প্রকাশকাল
মে 2025
মনোয়ারুল ইসলাম রচিত ‘নয়নতারা’ — অতিপ্রাকৃত ও ভৌতিক বিষয়ক বই। নালন্দা-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। বইটিতে আছে ১৫৯ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: ১ম প্রকাশ, ২০২০।
পিঙ্গল চুল, ঝুঁটি করে রাখা ফিতা দিয়ে। আবছাভাবে দেখা যাচ্ছে মেয়েটিকে। সূচনা জিজ্ঞেস করলো, ‘নাম কী সোনা?’ বাচ্চাটা করুণ চোখে তাকাল। ঠোঁটগুলো যেন গোলাপের পাপড়ি, থরথর করে কাঁপছে। সূচনা আবার জিজ্ঞেস করলো, ‘সোনা ভয় পেয়েছিস?’ মাথা ডানে বামে ঘোরায় বাচ্চাটা।
একবার ভুরু কোঁচকায়। মুখ দিয়ে অনুচ্চস্বরে কিছু একটা বলে, ‘না…না…ন…ন…’ কপালের ভাঁজগুলো মিশিয়ে দেবার ছলে সূচনা মেয়েটার কপালে হাত দিল, কপাল বেশ গরম। বাচ্চাটা ফিক করে হেসে দিল, হাসিটা কেমন অদ্ভুত। সূচনা খেয়াল করলো মেয়েটার পায়ের কড়ে আঙ্গুল নেই…এবং জিভটা কুচকুচে কালো। বাচ্চাটার কি অসুখ? এমন অসুখ কি মানুষের হতে পারে! শরীরটা সূচনার ঝাঁকি খায়, সে গুঙ্গিয়ে উঠে।
চমন হাসপাতালের জানালায় দাঁড়িয়ে যে দৃশ্য দেখছে তা অসহ্যকর- একটা বাচ্চা মেয়ে কাকের দুটো ছানাকে গলা টিপে ধরেছে, সাথে মরা কাকটাকে পায়ের তলায় পিষছে আর চমনের দিকে তাকিয়ে হাসছে। মেয়েটার চোখ মুখে ক্রুর হাসি। এর অর্থ কি?
সূচনা ভাবছিল নয়নতারা গাছগুলোর কথা, হঠাৎ ঘন্টার শব্দ পেয়ে সে লাফিয়ে উঠল। ঘণ্টার সাথে সাথে মন্ত্র পড়ার সুর কানে এলো- “ওঁ জবাকুসুমসঙ্কাশং কাশ্যপেয়ং মহাদ্যুতিম। ধান্তারীং সর্বপাপঘ্নং প্রণতোহস্মি দিবাকরম্।”
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। পছন্দের তালিকায় যোগ করুন বইপোকায়।