সায়েন্স ফিকশন বিষয়ক বই হিসেবে ‘নির্বাচিত সায়েন্সফিকশন’ লিখেছেন সেজান মাহমুদ। ঝিঙেফুল-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে ৩২০ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Published, 2024।
যদি প্রশ্ন করা হয় সায়েন্স ফিকশন বা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী কী? তাঁর উত্তর কিন্তু এক কোথায় দেয়া যায় না। সায়েন্স ফিকশনের সঠিক সংজ্ঞাটি লেখক, সমালোচক, পণ্ডিত এবং পাঠকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্কিত। যদিও বলা হয় অনুমানমূলক কল্পকাহিনীর একটি ধারা, যা সাধারণত উন্নত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, মহাকাশ অনুসন্ধান, সময় ভ্রমণ, সমান্তরাল মহাবিশ্ব এবং বহির্জাগতিক জীবনের মতো কল্পনাপ্রসূত এবং ভবিষ্যত ধারণা নিয়ে কাজ করে। এটি ফ্যান্টাসি, হরর এবং সুপারহিরো কল্পকাহিনীর সাথে সম্পর্কিত এবং এতে অনেকগুলি উপধারা রয়েছে। বিশ্বখ্যাত সায়েন্স ফিকশন লেখক আইজ্যাক আসিমভের মতে, "সায়েন্স ফিকশনকে সাহিত্যের সেই শাখা হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা যেতে পারে যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পরিবর্তনের সাথে মানুষের প্রতিক্রিয়া নিয়ে কাজ করে।
হেইনলেইন লিখেছেন যে ““প্রায় সব কল্পবিজ্ঞানের একটি সহজ সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞা হতে পারে: সম্ভাব্য ভবিষ্যতের ঘটনা সম্পর্কে বাস্তববাদী অনুমান, বাস্তব জগৎ, অতীত এবং বর্তমানের পর্যাপ্ত জ্ঞানের উপর ভিত্তি করে এবং প্রকৃতি এবং তাৎপর্যের পুঙ্খানুপুঙ্খ বোঝার উপর ভিত্তি করে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির লেখাই সায়েন্স ফিকশন। বাংলা ভাষাভাষীদের মধ্যে সায়েন্স ফিকশন এক সময় শুধুমাত্র শিশু সাহিত্য হিসাবয়ে বিবেচনা করা হতো।
সায়েন্স ফিকশন-এ আগ্রহী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।