ফ্ল্যাপে লিখা কথা আকবর স্যার একা থাকেন, একবেলা খান। তাও হোটেলে খান। রাতে খান না। এটা জেনে একদিন সঞ্জু রাতে স্যারের খাওয়ার টেবিলে দেয়াল টপকে ভাত-তরকারি দিয়ে এল, স্যারকে না জানিয়ে। কিন্তু স্যার টের পেয়ে গেলেন, রাগলেনও ভীষণ। বলাই বাহুল্য শাস্তিটা দিলেন স্কুলে এবং হুঁশিয়ারি করে দিলেন। এ রকম করলে শাস্তি কিন্তু চলতেই থাকবে। তারপরের কাহিনী তো সবাই জানে। সঞ্জুর শাস্তি চলতেই থাকছিল। মাঝখানে ফারুক ঢুকে... -তাহলে স্যার এখন কী হবে? সাহস করে মুহবি বলে বসে। -নাহ্ এখন আর শাস্তি না্ সব শাস্তি বন্ধ। তা ছাড়া .. স্যার থামেন। -তা ছাড়া? -তা ছাড়া সঞ্জুর মা’টা এত ভালো রাঁধেন যে কী বলব? ..এই বুড়ো বয়সে ভাতের স্বাদটা মুখে লেগে থাকে রে... ভূমিকা ছোটদের জন্য ছয়টা ভিন্ন স্বাদের গল্প। একেক গল্পের একেক মেজাজ। লিখতে গিয়ে আমার ভালো লাগছে। তাই ভাবছি হয়তো ছোটদেরও ভালো লাগবে। সেই যে এক বিখ্যাত কবির ভাষায় একটু অন্য রকম করে বলতে হয়.. আমার ভিতরও তো বাস করছে একজন ছোট্র কেউ, সেই ছোটবেলার! তাই না? সবাইকে মহান একুশের শুভেচ্ছ। আহসান হাবীব পল্লবী, ঢাকা। সূচিপত্র* নীল ডাউনে ফার্স্টবয়* ডজ* ভূত* আয়না* বিটুলের রান্না* গোয়েন্দা গগন