‘মুমিনের কবরের বাড়ি’ লিখেছেন মাওলানা তারিক জামিল। অনুভূতি প্রকাশনী-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ১৬০ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Published, 2025 নিয়ে।
কবর বা বারযাখের জগত: কোরআন ও হাদিসে কবর শব্দটির বহুল ব্যবহার
লক্ষ্য করা যায়। কবরের মূল ও প্রকৃত অর্থ মাটির ওই গর্ত, যেখানে শবদেহকে প্রথিত করা হয়। তারপরও কবর শুধু মাটির গর্তের অর্থেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং যেখানেই মানুষের মরদেহ বা তার অংশসমূহ থাকবে, সেটাই তার কবর।
চাই তা মাটির গর্তে হোক বা হিংস্র প্রাণীর উদরে হোক। সকল অবস্থায় ওই জায়গাটুকুকে রূপক অর্থে কবর বলে নামকরণ করা হবে। আহলুস সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অন্তর্ভুক্ত দ্বীনি বিষয়ে বিশেষজ্ঞগণ বলেছেন, প্রত্যেক মৃত ব্যক্তিরই মুনকার-নাকীর ফিরিশতার প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে। চাই সে কবরে থাকুক বা বন্য প্রাণীর পেটে থাকুক, পাখীর উদরে থাকুব বা জ্বালিয়ে ভষ্ম করার পর বাতাসে উড়িয়ে দেয়া হোক। (মিরকাত শরহে মিশকাত। খন্ড ১, পৃ. খন্ড ৩, পৃ.
বস্তুত: সমুদ্রে জলমগ্ন, বন্য প্রাণীর উদরস্ত, বায়ুপ্রবাহে উড়ন্ত মৃত ব্যক্তিকেও আযাব দেয়া হবে। যদিও আযাবের স্বরূপ সম্পর্কে আমরা অবগত নই।
কবরে প্রত্যেক ব্যক্তিকে ফিরিশতা সওয়াল-জওয়াব করবে। মুমিনগণ সঠিক উত্তর দিবে, কবরে আরাম ও আনন্দের জীবন লাভ করবে। কাফির, মুনাফিক ও মুশরিকগণ সঠিক উত্তর দিতে পারবে না। পরিণামে তারা কঠিন শাস্তিতে নিপতিত হবে।
বইপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।