‘মমি’ আফজাল হোসেন-এর লেখা থ্রিলার ও অ্যাডভেঞ্চার গল্প। প্রকাশক প্রিয়মুখ। সব মিলিয়ে ৯৬ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published , 2017।
“মমি” বইটির ফ্ল্যাপ এর লেখাঃ চার হাজার বছরের পুরনাে এক মমি। সারকোফাগাসের মধ্যে মমির সঙ্গে থাকা। স্কোলে,হায়ারােগ্লিফিক্সে লেখা মমির নামপরিচয় জানা যায়। সাফুলুলিসা নামে এক রাজকুমারীর মমি ওটা,অল্প বয়সে অবিবাহিত অবস্থায় এই রাজকুমারী মারা গিয়েছিল। মমির সঙ্গে থাকা স্কোলে দেবতা আমুন-রা-এর দ্য বুক। অব ডেড থেকে মমিকে পুনরুজ্জীবিত করে। তােলার একটা মন্ত্রও দেওয়া আছে। সত্যিই কি এই মন্ত্রের জোরে মমিকে জীবিত করা সম্ভব…। একটা গােপন কামরায় দশ-এগারাে জন বৃদ্ধাকে বন্দি করে রাখা হয়েছে। এই বৃদ্ধা নারীরা প্রত্যেকেই অথর্ব এবং গর্ভবতী। এদের মুখে বাকশক্তিও নেই। পশুর মতাে জীবন তাদের। তাদের ভাগ্যে কী এমন অশুভ কিছু ঘটেছিল… হায়দার সাহেবের বাড়িতে এক জোড়া নব। দম্পতি ভাড়া উঠেছে। তারা দু’জনেই দেখতে। কিন্তু দু’জনের গা থেকেই একইরকমের বােটকা একটা গন্ধ পাওয়া যায়। তার চেয়ে আশ্চর্যের,দু’জনকে কখনােই এক। সঙ্গে পাওয়া যায় না। হায়দার সাহেবের মাঝে। মাঝে মনে হয় তারা দু’জনেই আসলে একজন। এমনটা কেন মনে হয় কে জানে! সত্যিই কি তাদের দুজনের মধ্যে অদ্ভুত রহস্যময় কোনাে মিল লুকিয়ে রয়েছে…।
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি সংগ্রহে রাখার মতো। বইপোকার সংগ্রহে বইটি রয়েছে।