‘ মহাপ্রাণের পরশমনি শরৎচন্দ্র ‘ গ্রন্থের বিশেষত্ব এই যে, এখানে শরৎচন্দ্র সম্পর্কে সাহিত্য সমালোচকদের কোন রচনা গৃহীত হয়নি; হয়েছে শুধু সাহিত্য স্রষ্টাগণের। সমালোচকদের লেখায় বা দৃষ্টিতে নয়, সাহিত্য সাধকদের ভাবনায় ও সৃষ্টিতে ব্যক্তি শরৎচন্দ্র বা শরৎসাহিত্য কীভাবে প্রতিভাত তা সর্বসাধারনের কাছে তুলে ধরাই এই গ্রন্থ রচনার উদ্দেশ্য। বর্তমান গ্রন্থে রবীন্দ্রনাথ,কাজী নজরুল ইসলাম, জীবনানন্দ দাশ, তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়, বিভূতিভুষণ বন্দোপাধ্যায় থেকে শুরু করে কথাসাহিত্যিক সন্তোষকুমার ঘোষ পর্যন্ত কবি – সাহিত্যিকদের শরৎচন্দ্র সম্পর্কে মূল্যায়ন ও স্মৃতিচারণা স্থান পেয়েছে। এই বই শুধু বাংলা সাহিত্যের ছাত্র-ছাত্রী বা গবেষক – গবেষিকার কথা ভেবে লেখা হয়নি বরং হয়েছে সর্বশ্রেণীর সাধারণ পাঠকের কথা মনে রেখে, বিশেষত শরৎ-অনুরাগীদের কথা। গ্রন্থটি অনেকাংশে শরৎচন্দ্র সম্পর্কে বিরূপ সমালোচনার একটি গৃহীত জবাব।