লেখক ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী-এর ‘মহাকাশের কথা’ পাঠকের সামনে এসেছে মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক বই হিসেবে। প্রকাশনার দায়িত্বে অনুপম প্রকাশনী। বইটিতে আছে ১৭৫ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: Reprint, 2020।
ফ্ল্যাপে লিখা কথা
সৌরজগতের উৎপত্তি কী করে হলো? ব্ল্যাক-হোল কখন, কীভাবে তৈরি হয়? পালসার ও নিউট্রন তারার পার্থক্য কী? আমাদের গ্যালাক্সির বৈশিষ্ট্য কী> গ্যালাক্সি কী করে তৈরি হয়? এই অষংখ্য গ্যালাক্সি মহাবিশ্বে কিভঅবে সজ্জিত আছে? সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আমাদের বিশ্বের সৃষ্টি হয়েছে কী করে? বস্তুর মৌলিকতম উপাদান কী? কেমন তার আচরণ? সৃষ্টির মাহেন্দ্র ক্ষণটিতে কি তার কোনো ভূমিকা ছিল? নাকি সে নির্গুণ অকর্মণ্য, কেবলই এক নীরব দর্শক? বিশ্বের প্রসারণ কি চলতেই থাকবে নাকি এর কোনো শেষ আছে? সর্বোপরি মহাবিশ্বের নিয়তি কী? বহির্বিশ্বে কি প্রাণ সম্ভব? এইসব মিলিয়ন ডলার প্রশ্নের উত্তর এবং আরো অনেক নতুন প্রশ্নের ঝাঁপি নিয়ে মহাকাশের কথা। আজকের মানুষ মহাশূন্যে স্পেস-স্টেশন স্থাপন করেছে, অন্য গ্রহে বসতি স্থাপনের চিন্তা করছে। এমনকি এই দেশেই আছে নভোথিয়েটার। এই যখ পরিপ্রেক্ষিত, তখন কি স্পেস/ অ্যাস্ট্রনমি/ কসমোলজি এখনো উদাসীন বিজ্ঞানীর চিন্তার বিষয় হয়েই থাকবে? যারা আজকের এবং আগামী দিনের আধুনিক বিশ্বের নাগরিক হবেন তারা কি ‘অদ্ভুত উঠের পিঠে’ই চলতে থাকবেন?
পাখ, আপনার কী অভিমত?
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত জানার আগ্রহ আছে এমন পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। ঘরে বসেই বইপোকায় অর্ডার করুন।