শরীফ মাহমুদ ছিদ্দিকী রচিত ‘মহাকাশ গবেষণায় মানমন্দির’ — মহাকাশ বিজ্ঞান ও জ্যোতির্বিদ্যা বিষয়ক বই। সৃজনী থেকে প্রকাশিত। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৪৮ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Edition : Bookfair 2023 নিয়ে।
আদিকাল থেকেই মানুষ খালি চোখে দেখে আসছে তারা-ভরা আকাশ। ধীরে ধীরে মানুষ জানল তারা-ভরা আকাশের চন্দ্র-সূর্য,গ্রহ-নক্ষত্র,উল্কা ও ধূমকেতুর কথা। এসব জ্যোতিষ্ক পর্যবেক্ষণের জন্য সেই দুরবিন বা টেলিস্কোপ আবিষ্কারের পূর্ববর্তী যুগেই মানমন্দির বা অবজারভেটরি স্থাপিত হয়েছিল। এর মধ্যে প্রাচীন যুগের ‘হিপার্কাস মানমন্দির’,মধ্যযুগের ‘মারাঘা মানমন্দির’ ও রেনেসাঁ যুগের ‘টাইকো মানমন্দির’ অন্যতম। আর পাথরযুগের ‘স্টোনহেঞ্জ’-এর কথা আমরা অনেকেই জানি,যেখানে গ্রহ-নক্ষত্র পর্যবেক্ষণের কাজ হতো বলে ধারণা করা হয়। এভাবে খালি চোখে দেখতে দেখতে মানুষ একদিন আবিষ্কার করল দুরবিন। শুরু হলো দুরবিনের চোখে আকাশ দেখার পালা। আমাদের সামনে উন্মোচিত হতে লাগল সৌরজগৎ,তারকাজগৎ এমনকি বিশ্বজগৎ। এতদিন জানতাম কোটি কোটি তারার কথা। এখন দেখছি কোটি কোটি ছায়াপথ বা গ্যালাক্সিও রয়েছে আমাদের এ মহাবিশ্বে। এসব চোখ-ধাঁধাঁনো জ্যোতিষ্ক দেখে আমরা শুধুই ভাবছি আর ভাবছি! ভাবতে ভাবতে বিজ্ঞানীরা একদিন সন্ধান পেলেন মহাকাশের দুর্বোধ্য জ্যোতিষ্কের,যেখান থেকে রেডিও বা বেতার তরঙ্গ আসছে। এসব তরঙ্গ ধরার জন্য আবিষ্কার হলো বেতার দুরবিন। স্থাপিত হলো ‘বেতার মানমন্দির’। শুরু হলো বেতার দুরবিন দিয়ে আকাশ পর্যবেক্ষণ। এরপরও বিজ্ঞানীরা বসে নেই। তারা দেখলেন পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল মহাকাশের অনেক তরঙ্গকে আটকে রাখে।
জানার আগ্রহ আছে এমন পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।