কাব্য সমালোচনা বিষয়ক বই হিসেবে ‘মধুসূদনের কবি-আত্মা ও কাব্যশিল্প’ লিখেছেন ড. ক্ষেত্রগুপ্ত। জাতীয় সাহিত্য প্রকাশ থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে ৩৬০ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2009।
মধুসূদন যে কালে জন্মেছিলেন বাংলাদেশের ইতিহাসে সে কালের গৌরব অনেক। সে কালের প্রতিভূ হিসাবে মধুসূদনকে দেখার রেওয়াজ দীর্ঘদিন চলে আসছে। বাংলা রনেসান্সের সার্থক প্রতিনিধি মধুসূদন দত্ত। নবযুগের উল্লাস, বেদনা ও সীমাবদ্ধতার সর্বাধিক গভীর প্রতিফলন তাঁর কাব্য-কবিতায়। নতুন মানবতার তিনি মুক্তিদাতা, মধ্যযুগের অন্ধ তমসাং: সে'কে আলোকোজ্জ্বল নতুন পৃথিবীতে পদার্পণ তাঁরই পদচিহ্ন ধরে। বাংলা সাহিত্যের কালবদল, জাতবদলের পুরোধা তিনিই। তিনি একাই একটা বিশিষ্ট যুগ।
কথাগুলি সত্য, তবুও বিচার্য। বিচার্য এই কারণে যে কবির সার্থকতার পেছনে যুগ আর ব্যক্তিপ্রতিভার আনুপাতক গুরুত্ব বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। আর প্রয়োজন অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্নের মীমাংসা-সাহিত্যের ইতিহাসে যুগস্রষ্টা কবি শুধু সে কারণেই কতকাল বেঁচে থাকবার অধিকারী?
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের পড়ার তালিকায় বইটি রাখা যায়। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।