"মিষ্টান্ন" বইয়ের ফ্ল্যাপে লিখা ব্রিটিশ শাসিত বাংলার এক গ্রাম। সে গ্রামেরই এক বধূ একদিন ভুলক্রমে আবিষ্কার করে বসে একটি অপরিচিত, নতুন স্বাদের মিষ্টিজাতীয় খাবার। তারপর? ঘটনাবলী এককেন্দ্রিক স্থির থাকেনি, গড়িয়ে গেছে সময়ের ফাঁকফোকর ধরে অপ্রত্যাশিত, নাটকীয় কিন্তু যৌক্তিকভাবে। অবিভক্ত ভারতবর্ষের এক ছােট্ট গ্রাম থেকে কলকাতাঘেঁষা মফস্বল পর্যন্ত বিস্তৃত এই উপন্যাসে। একজন গ্রাম্যবধূর উদ্যোক্তা হয়ে ওঠা, জাতপাত প্রথা, আধাত্মবাদ, চক্রান্ত, কুসংস্কার ছাড়াও অতি সাধারণ কারণে মানুষের জীবন যে কত দ্রুত পাল্টে যেতে পারে- সবকিছুর উদাহরণ উঠে এসেছে স্বচ্ছন্দে। মাঝারি আকারের উপন্যাস হলেও মিষ্টান্নের প্রতিটি শব্দ ও প্রতিটি বাক্যের যে ইশারা তার ব্যাখ্যা হাজার লাইন ছাড়িয়ে যাবে। এই উপন্যাসের প্রতিটি চরিত্র, প্রতিটি ঘটনাই প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ। মিষ্টান্নে অতিরিক্ত কিছু বলা নেই, কেবল যেটুকু বললেই সাহিত্য ফুটে উঠে- সেটুকুই লেখক আপ্রাণ লিখতে চেষ্টা করেছেন।