সমকালীন উপন্যাস হিসেবে ‘মেহর-এ-মোহাব্বত বান্ডেল’ লিখেছেন উমেরা আহমেদ ও নিমরাহ আহমেদ। ইউনিটি পাবলিকেশন থেকে প্রকাশিত। সব মিলিয়ে হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: 1st Published, 2026।
জানালার ওপাশে আকাশটা কি সবার জন্য সমান? নাকি কারো কারো জন্য সেই আকাশ শুধুই অপেক্ষার এক নীল ক্যানভাস?
আমাদের জীবনটা ছিল তেমনই যেমন প্রদীপ আর প্রজাপতির হয়। আপনারা কি কখনো প্রদীপের চারপাশে প্রজাপতিকে একটা বৃত্তের মতো ঘুরতে দেখেছেন? খুব বেশি চাওয়ার পরও প্রজাপতি সেই কক্ষপথ থেকে বের হতে পারে না, রাস্তা বদলাতে পারে না। আর যখন প্রদীপ নিভে যায়, তখন সে নিস্তেজ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।
ক্ষতি প্রদীপের হয়, নাকি প্রজাপতির আমরা তা কখনোই স্থির করতে পারিনি। মেহরুন্নিসা অর্থ- ‘নারীর ভালোবাসা’। এটি এমন এক নারীর ভালোবাসার গল্প, যে তার নীরবতার আড়ালে লুকিয়ে রাখে সহস্র শব্দের দীর্ঘশ্বাস, আবার সেই দীর্ঘশ্বাসকেই রূপান্তর করে নিজের শক্তিতে।
রাহে নওয়ার্দ ই শৌক
শূণ্যতা কি কখনো পূর্ণতার গল্প হতে পারে?
নীল জ্যোৎস্নার মায়াবী চাদরে মোড়ানো কোনো এক নির্জন রাতে যখন একাকীত্বের দীর্ঘশ্বাসগুলো ভারী হয়ে ওঠে, ঠিক তখনই শুরু হয় ‘রাহে নওয়ার্দ-ই-শৌক’-এর যাত্রা।
জীবন কি কেবলই প্রথম হওয়ার দৌড়? নাকি নেপথ্যে থাকা মানুষগুলোরও কোনো নিজস্ব আকাশ থাকে?
যারা জীবনের ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলছেন বা যারা অন্যের খুশিতে নিজের সুখ বিসর্জন দিয়ে ক্লান্ত, এই বইটির প্রতিটি পাতা তাদের বলবে—আপনারও একটি গল্প আছে, আপনারও একটি গন্তব্য আছে।
তেরি ইয়াদ খারে গুলাব হ্যাঁয়
মায়াবী কোনো গোলাপ, নাকি বিষাদমাখা এক তীক্ষ্ম কাটা?
সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের কাছে বইটি আগ্রহের বিষয় হতে পারে। বইপোকা থেকে বইটি সংগ্রহ করে নিন।