মেঘের আকাশ আলোর সূর্য : আবুল হাসানের অপ্রকাশিত কবিতাবলী ভূমিকা ও সম্পাদনা : আবদুল মান্নান সৈয়দ আবুল হাসানের এই অপ্রকাশিত পণ্ডুলিপির স্বভাবতই শিরোনাম নেই কোনো। আমরা এই পণ্ডুলিপির অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতার নামানুসারে, পণ্ডুলিপিটি যখন গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হচ্ছে, নাম রাখলাম, মেঘের আকাশ আলোর সূর্য। যা ছিল সাধারণের অগোচরে আচ্ছাদিত, তা এখন হয়ে উঠুক রৌদ্রকরোজ্জ্বল। সন্দেহ নেই: এই বইএর কবিতা যখন লিখছেন তখনই তিনি সাবালক হয়ে উঠেছেন, তিন রকম ছন্দই তাঁর করায়ত্ত, মানুষ প্রকৃতি প্রেম দেশপ্রেম - সবই তখনই সূর্যের ডানায় ভেসে যাচ্ছে। হাসান হয়তো তখন তরুণকিশোর বা সদ্যযুবা, ১৯৬৬ সালে এই পণ্ডুলিপির আবুল হাসান আর- একজন তরুণকে উপহার দিয়েছিলেন, কিন্তু তখনই কবিতা কুঁড়ি থেকে ফুলে উন্মীলিত হয়ে উঠেছে। আবুল হাসানের এই ডায়েরির অগোচরে কবিতাগুলি প্রকাশিত হয়ে এখন এসব জ্যোল্ৎা-রৌদ্র-স্বপ্ন-করোজ্বলতায় উদ্ভাসিত হয়ে উঠুক। আবুল হাসান জন্ম : ২৭ আগস্ট, ১৯৪৭; গ্রাম : ঝনঝনিয়া, থানা : নাজিরপুর ; জিলা : পিরোজপুর। মৃত্যু : ২৬ নভেম্বর, ১৯৭৫, ঢাকা। শিক্ষাজীবন : ১৯৬৩ সালে আরমানীটোলা গভর্নমেন্ট স্কুল থেকে এসএসসি ; ১৯৬৫ বরিশাল ব্রজমোহন সরকারী কলেজ থেকে এইচএসসি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি। দুই বছর পরে ছেড়ে দেওয়া। কবিতার জন্য নিজেকে উৎসর্গ করা। কর্মজীবন : গণবাংলা, গণকণ্ঠ পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসাবে কাজ করা। বিদেশ ১৯৭৪ সালের ১৯শে নভেম্বর জার্মানীর বার্লিনে চিকিৎসার জন্য যাওয়া, ১৯৭৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ফিরে আসা। পুরস্কার : বাংলা একাডেমী পুরস্কার ১৯৭৬ (মরণোত্তর), একুশে পদক (মরণোত্তর)। প্রকাশিত বই: রাজা যায় রাজা আসে ; যে তুমি হরণ করো ; পৃথক পালঙ্ক।