একটি বিকশিত দর্শন হিসাবে মার্কসীয় দর্শনের তিনটি দিক রয়েছে: সাম্যবাদী আদর্শ, একটি বিশ^দৃষ্টি ও একটি পদ্ধতি। ...মার্কসবাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত জগৎ ও জীবন সতত পরিবর্তনশীল। এই পরিবর্তনের ফলে নতুন নতুন গুণ ও প্রপঞ্চের উদ্ভব ঘটে। এসব নতুন গুণ ও প্রপঞ্চকে পুরানো তত্ত্ব দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। মার্কসবাদী পদ্ধতি প্রয়োগ করে উদ্ভূত নতুন প্রপঞ্চের নিয়মাবলী আবিষ্কার করতে হয়। উদ্ভূত নতুন অবস্থাকে পরিবর্তন করার জন্য নতুন নতুন কৌশল উদ্ভাবন করতে হয়।
...প্রয়োজন বর্তমান পরিস্থিতির নতুন মূল্যায়ন, নতুন তত্ত্ব ও কৌশল উদ্ভাবন। ...কিন্তু আমরা যদি লেনিন ও মাওয়ের তত্ত্ব ও কৌশলসমূহ পর্যালোচনা করি, তাতেই তো স্পষ্ট হয়ে ওঠে, ওঁরা ওদের বিশ^কে মোকাবেলায় মার্কস-এঙ্গেলস থেকে ভিন্ন কত নতুন ধারণাই না নিয়ে এসেছিলেন। পরিস্থিতির মার খেয়ে মার্কসবাদী মহলে ক্রমেই নতুন চিন্তার প্রয়োজনীয়তার তাগিদটি জোরদার হচ্ছে। আর নতুন করে চিন্তা করার জন্যই প্রয়োজন মার্কসীয় দর্শনের নতুন পাঠ, এর পদ্ধতি আয়ত্বকরণ।