আলি হায়দার দেশের সবচেয়ে রেস্পেক্টেড অভিনেতাদের একজন, যদিও এই সময়ের সিনেমায় অভিনয় করেন না, কেন করেন না? থিয়েটারের বাইরে অনিমেষের জীবনে আর কোন কিছুর প্রতি মোহ নেই। রাঁধার নির্মল আর মনঃপ্রাণ সঁপে দেয়া প্রেম ও অনিমেষকে টানে না। আব্দুল মজিদ দেশের সবচেয়ে নামকরা প্রডাকশন হাউজ অলস্টার এর কর্ণধার। এই মুহুর্তে আব্দুল মজিদের একমাত্র লক্ষ্য হচ্ছে লোলোকে স্টার হিসাবে প্রতিষ্ঠা করা। লোলোকে তিনি প্রেমিকার মতই যত্নের সাথে গড়ে তুলতে চান। আলি হায়দারের বাড়ির গেইটের বাইরে এসে থামে লোলোর নতুন হ্যারিয়ার গাড়ি। এই মুহুর্তে দেশের সবচেয়ে সেরা হিরোইন, প্রযোজক আর নতুন সিনেমার লাইন লেগে আছে লোলোর দরজায়। অথচ একটা দিন ক্লাসে ঢুকার মত সুযোগ দেননি আলি হায়দার। সব শুনে মুচকি হেসে আলি হায়দার জিজ্ঞেস করেন- তুমি যে অভিনয় করছো , তা সেটা করছো কোথায়? অনিমেষ বসে আছে কোন নদীর তটে, ভোর হবে হবে করছে বা দিনের প্রথম আলো সবে ফুটতে শুরু করছে, নদীর মাঝ বরাবর এখনো কুয়াশা রয়ে গেছে, আস্তে আস্তে কুয়াশা সরে যাচ্ছে অনিমেষ দেখে নদীর মাঝ বরাবর বঁধু বেশে ভেসে যাচ্ছে রাঁধা।