‘লোকপ্রশাসনে বৌদ্ধ অনুধ্যায়’ লিখেছেন অমল বড়ুয়া। অক্ষরবৃত্ত-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। পাঠকের হাতে পৌঁছাবে ৩৩৬ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 1st Published 2021 নিয়ে।
আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় লোকপ্রশাসনের গুরুত্ব অপরিসীম। লোকপ্রশাসনের দক্ষতা, নৈতিকতা, সততা, মিতব্যয়িতা ও নিষ্ঠতা রাষ্ট্রের উন্নতির চাবিকাঠি। রাষ্ট্রের জনপ্রশাসনের দক্ষতা ও সমৃদ্ধ নৈতিকতা রাষ্ট্রের ঈষর্ণীয় উন্নতি ও সাফল্যের ভিত রচনা করতে পারে। লোকপ্রশাসন ব্যবস্থায় দক্ষতা ও নৈতিক উৎকর্ষতা সুনিশ্চিতকরণে বৌদ্ধ লোকপ্রশাসনের বৈশিষ্ট্যসমূহ অনুসৃত হলে প্রশাসনে সন্তোষজনক কাম্য ফলাফল লাভ করার মাধ্যমে সহজেই একটি জনকল্যাণমূলক প্রশাসন ব্যবস্থায় উত্তরণ সম্ভব হবে। বুদ্ধ দেশিত ‘দশরাজাধর্ম’ এর বৈশিষ্ট্যসমূহ অনুসরণ করে তৎকালীন ভারত উপ-মহাদেশে রাষ্ট্র পরিচালিত হতো। বৈশালীর বৃজি রাজাগণ গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতি অনুসরণ করে বুদ্ধের উপদেশ অনুযায়ী রাজ্য শাসন করতেন এবং তারা একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছিলেন। পরবর্তীতে রাজা অজাতশত্রু বুদ্ধের উপদিষ্ট অনুশাসন অনুযায়ী রাজ্যশাসন করেছিলেন। মূলত সম্রাট অশোকই ২৬০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে বৌদ্ধধর্মকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে বুদ্ধ উপদিষ্ট ‘দশরাজাধর্ম’ অনুযায়ী শাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে বিশ্বে সর্বপ্রথম কল্যাণমূলক রাষ্ট্র গঠন করেছিলেন। সম্রাট অশোক তার শাসন ব্যবস্থায় ‘ধম্ম’ বা ‘কল্যাণমূলক’ কর্মকা-ের প্রবর্তন করে জনকল্যাণমূলক প্রশাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।
বইপ্রেমী পাঠকদের জন্য এটি একটি সহায়ক সংযোজন। বইপোকায় এখনই সংগ্রহ করুন।