লেখক মোশতাক আহমেদ-এর ‘লিলিপুটের গ্রহে (অখন্ড)’ পাঠকের সামনে এসেছে সায়েন্স ফিকশন বিষয়ক বই হিসেবে। প্রকাশনার দায়িত্বে প্রিমিয়াম পাবলিকেশন্স। সব মিলিয়ে ৩৫২ পৃষ্ঠা, হার্ডকভার বাঁধাই, সংস্করণ: ১ম প্রকাশ, ২০২৫।
প্রথমে ভেবেছিলাম ‘লিলিপুটের গ্রহে’ এক খন্ডের একটি উপন্যাস হবে। কিন্তু লিখতে গিয়ে বুঝলাম একটি উপন্যাসে শেষ করা সম্ভব হবে না গল্পটি। প্রকাশিত হওয়ার পর পাঠকের জনপ্রিয়তা দেখে দ্বিতীয় খন্ড লিখি, নাম ছিল ‘পৃথিবীতে লিলিপুটেরা’। পরিশেবে পূর্ণতা দিতে তৃতীয় খণ্ড ‘লিলিপুটদের ফিরে যাওয়া’ শেষ করি। সায়েন্স ফিকশন পাঠকদের কাছে উপন্যাস তিনটি এতটাই জনপ্রিয়তা পায় যা ছিল বিস্ময়কর! তবে সমস্যা হচ্ছিল বিভিন্ন লাইব্রেরিতে অনেক পাঠক তিন খন্ড একসাথে পাচ্ছিলেন না। ফলশ্রুতিতে অনেকে দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় খন্ড আগেই পড়ে ফেলছিলেন। এজন্য গল্পের আসল মজা প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন তারা। তাই সিদ্ধান্ত হয়, ‘লিলিপুটের গ্রহ অখন্ড’ নামে তিনটি খন্ড একত্রে প্রকাশ করার। প্রিয় পাঠকরা এখন একসাথেই তিনটি উপন্যাস পাবেন এবং গল্পের মূল আনন্দটা উপভোগ করতে পারবেন।
গল্পের শুরুটা ভয়ানক এক মহাকাশ দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে। দুর্ঘটনায় স্কাউটশিপ ফ্লিটি এসে পড়ে সম্পূর্ণ নতুন এক গ্রহে। দুর্ঘটনার তীব্রতায় ফ্লিটির সবাই মারা গেলেও বেঁচে থাকে শুধু দশ মাস বয়সের এক মানব শিশু ‘অডিন’। ফ্লিটির মূল প্রোগ্রাম ‘ইন্টি’ যৌক্তিকতা বিশ্লেষণের মাধ্যমে অনুধাবন করে তার একার পক্ষে অডিনকে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব নয়। তাই তো সে গ্রহের বিশেষ প্রাণী, মানুষের মতো দেখতে ছয় ইঞ্চি উচ্চতার লিলিপুটদের সাহায্য কামনা করে।
বিশেষ করে সায়েন্স ফিকশন-এ আগ্রহী পাঠকদের জন্য বইটি কাজে লাগবে। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।