শওকত ওসমান রচিত ‘ক্রীতদাসের হাসি’ — চিরায়ত উপন্যাস। সময় প্রকাশন-এর প্রকাশনায় বইটি পাওয়া যায়। বইটিতে আছে ৮০ পৃষ্ঠা, সংস্করণ: 8th Edition, 2015।
"ক্রীতদাসের হাসি" বইয়ের ফ্ল্যাপের লেখা:
১৯৫৮ সালে জেনারেল আইয়ুব খানের সামরিক শাসন পাকিস্তানকে বর্বর স্বৈরশাসনের যাঁতাকলে আবদ্ধ করলো। এ সময় সব ধরনের-বাক স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তৎকালীন পাকিস্থানের স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের শাসন ব্যবস্থাকে ব্যঙ্গ করে এ উপন্যাস রচিত হয়। এ উপন্যাসের মূল চরিত্র তাতারী। গণতান্ত্রিক চেতনাকে ভয় পায় স্বৈরাচারী শাসক। এই চেতনাকে দমন করার জন্যই আবার নেমে আসে সামরিক শাসন তবুও লেখকের প্রতিবাদ স্তব্ধ থাকেনি। রূপকের মধ্য দিয়ে তীব্র হয়ে উঠেছে এই প্রতিবাদ। প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছে শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’র তাতারী। খলিফা হারুনর রশীদ কোনো কিছুর বিনিময়েই তাতারীর হাসি শুনতে পান না। খলিফার নির্দেশে হাসার চেয়ে মৃত্যুকে শ্রেয় মনে করেছে তাতারী।
যাঁরা এই বিষয়ে পড়তে চান, বিশেষত সাহিত্যপ্রেমী পাঠকদের জন্য বইটি উপযোগী। আজই বইপোকা থেকে অর্ডার দিন।