এক ছুটির সকালে লেখকের বাসায় কবি বেলাল চৌধুরী এলেন, সঙ্গে কবি- প্রাবন্ধিক- কথাসাহিত্যিক নবনীতা দেবসেন। বেলাল বললেন নবনীতা কবি চন্দ্রাবতীর রামায়ণ লেখার ওপর গবেষণা করছেন, সেই উপলক্ষ্যে ময়মনসিংহের কেন্দুয়া উপজেলার এক গ্রামে যেতে চান যেখানে মেয়েরা পালা-পার্বণে সীতার বারোমাসি গেয়ে থাকে। কবি চন্দ্রাবতী এবং নবনীতা দেবসেনের জীবনে এক জাগায় মিল দেখতে পেয়ে লেখক কল্পনা মিশিয়ে তাদের নিয়ে ডকুমেন্টারি উপন্যাস লেখার কথা ভাবেন এবং পরে নিজে সেই গ্রামে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করেন। কাজের ব্যস্ততায় এক সময় লেখার কথা ভুলে যান তিনি। আটাশ বছর পর হঠাৎ পুরোনো তথ্য-উপাত্ত খুঁজে পেয়ে তিনি ভাবেন এই সব হারায় নি, তার লেখার অপেক্ষায় আছে। বইটা না লিখলেই নয়। 'কবি চন্দ্রাবতী এবং' বহু বিশ্রুত এক কাহিনীর নব রূপান্তর।