"কিশোর মুসা রবিন: গোয়েন্দা কাহিনিসমগ্র-১" বইয়ের ফ্ল্যাপ থেকে নেয়াঃ মার্ডারার তিন গােয়েন্দার মারমুখাে চেহারা দেখে আর চাপাচাপি করতে সাহস করল না মহিলা । সে একজন রিপাের্টার । কিশাের জানল, যে লােক জেনিটকে খুন করার চেষ্টা করেছে, সে লােকটা আসলে নির্দোষ । ভাবতে লাগল কিশাের, এই অ্যাটেম্পট-টু-মার্ডার কেসে কার পক্ষ নেবে ওরা? মেডেল রহস্য ঘরের ভিতর সারি সারি কফিন দেখতে পেল তিন গােয়েন্দা কিশাের মুসা রবিন। একটা কফিনে একটা মমি শুয়ে থাকতে দেখল । চারপাশে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল রবিন, ‘কেমন গা ছমছমে জায়গা, কিশাের, দেখেছ! আমার ভয় লাগছে, ওই থামের আড়াল থেকে কেউ বিষ মাখানাে ডার্ট ছুঁড়ে মারবে কি না ভেবে। মারাত্মক ডার্ট, কফিন, মমি, আজব ধোয়া! রহস্য জমানাের জন্য আর কি চাই? গােল্ডেন ডাের সিটির গােয়েন্দা গােল্ডেন ডাের সিটিতে বেড়াতে এল তিন গােয়েন্দা কিশাের মুসা রবিন । এখানে একটা। পুরানাে বাড়ি কিনেছেন কিশােরের চাচা রাশেদ পাশা । ওদের সাবধান করা হলাে, বাড়ির আঙিনার কুয়াটার কাছে না যেতে । ওতে নাকি ভূত আছে। বহু বছর ধরে সােনার বস্তা পাহারা দিয়ে চলেছে ওই ভূত । কিন্তু কৌতূহল দমাতে না পেরে উকি দিল ওরা কুয়ার তলায়। সঙ্গে সঙ্গে শুরু হলাে আক্রমণ।